বিকেল গড়াতেই অস্তগামী সূর্য তার মায়াবী রঙ ছড়িয়ে দিয়েছিল চারপাশে। মুম্বই বন্দরের দিকে তাকালেই মন ভুলিয়ে দেয় সেই রঙ। আরব সাগরের নীল জলেও সেই মায়ারই খেলা। যাকে আরও মায়াময় করে যাত্রা শুরু করল কর্ডেলিয়া স্কাই (Cordelia Sky)। স্কাই ইজ দ্য লিমিট কথাটাকেও মিথ্যে প্রমাণ করে বিনোদনের উপকরণে ঠাসা আকাশ ছোঁয়া বারোতলা প্রমোদতরীর হুইসলেও কি মায়া!
২৬০ মিটার লম্বা জাহাজের অন্দরে রয়েছে হাজারটি বিভিন্ন ধরনের বিলাসবহুল ঘর, ১০টি রেস্তোরাঁ, ১১টি পানশালা ও লাউঞ্জ, ছাদের উপর দু’টি সুইমিং পুল, পাঁচটি ‘হট টাব’, একটি স্পোর্টস কোর্ট, ১২টি ডেক। রয়েছে একাধিক অডিটোরিয়াম, স্পা, জিম, ক্যাসিনো। চার ধরনের হাজারটি কেবিনে থাকতে পারেন দু’হাজারের উপর অতিথি। রয়েছেন প্রায় ৮০০ কর্মী, যাঁদের মধ্যে ৯৫ শতাংশই ভারতীয়।

কখনও এই বারোতলা প্রমোদতরীর গন্তব্য শুধু মাঝসমুদ্রেই, যেখানে সে দাঁড়িয়ে থাকে সারাদিনই। আবার কখনও বা সাদার উপর রঙিন কারুকার্য করা এই জাহাজ দিনভর ভেসে চলে আরব সাগরে। কখনও পৌঁছে যায় গোয়া, কখনও বা লাক্ষাদ্বীপ অথবা কোচিতে। ২১ অক্টোবর উদ্বোধনী যাত্রার পর ২৩ অক্টোবর থেকে যাত্রীদের নিয়ে গোয়ায় প্রথম যাত্রা করে কর্ডেলিয়া স্কাই। সংস্থার পক্ষে জানানো হয়েছে, ক্রমে প্রমোদতরী যাত্রা করবে বঙ্গোপসাগরেও। সংস্থার কর্ণধার জার্গেন বাইলোম জানান, তাঁদের পরিকল্পনা রয়েছে, প্রমোদতরীকে ক্রমে পুরী ও কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার।
প্রায় ২৬০ মিটার লম্বা জাহাজের অন্দরে রয়েছে হাজারটি বিভিন্ন ধরনের বিলাসবহুল ঘর, ১০টি রেস্তোরাঁ, ১১টি পানশালা ও লাউঞ্জ, ছাদের উপর দু’টি সুইমিং পুল, পাঁচটি ‘হট টাব’, একটি স্পোর্টস কোর্ট, ১২টি ডেক। রয়েছে একাধিক অডিটোরিয়াম, স্পা, জিম, ক্যাসিনো। চার ধরনের হাজারটি কেবিনে থাকতে পারেন দু’হাজারের উপর অতিথি। রয়েছেন প্রায় ৮০০ কর্মী, যাঁদের মধ্যে ৯৫ শতাংশই ভারতীয়। ইউরোপে তৈরি এই জাহাজটি ক্যাপ্টেন হুইটলে-র তত্ত্বাবধানে নিয়ে আসা হয় মুম্বই বন্দরে।
Source: Sangbad Pratidin India (Bengali)
