আগামী ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে রয়েছে ‘ইন্ডি’ জোটের মেগা সমাবেশ। উৎসবের মরশুমে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি স্থগিতের আর্জি জানিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করলেন না কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। উলটে বললেন, “মোদিকে বলুন, জ্ঞানেশকে হটাতে। ৩০ সেকেন্ডেই বন্ধ হবে সমস্ত বিক্ষোভ।”
সম্প্রতি ‘চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ (সিটিআই) রাহুলকে বিক্ষোভ কর্মসূচিটি স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়েছিল। তাদের বক্তব্য, দীপাবলি এবং ধনতেরাসের মতো উৎসবের মরশুমে এই বিক্ষোভের ফলে ব্যবসার ক্ষতি হতে পারে। তাদের দাবি, ১০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হতে পারে। রাহুলকে লেখা একটি চিঠিতে সিটিআই-এর চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েল জানিয়েছিলেন, ধনতেরাস ও দীপাবলি উপলক্ষে রামলীলা ময়দানের আশপাশের দোকানগুলিতে প্রচুর মানুষ কেনাকাটা করতে আসেন। ধনতেরাসে দিল্লিজুড়ে সোনা-রুপো, ইলেকট্রনিক্স, পোশাক, বাসনপত্র, শুকনো ফল, মিষ্টি, গাড়ি, মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হয়ে থাকে। কিন্তু বিরোধীদের সমাবেশের কারণে ব্যবসায়ীরা উদ্বিগ্ন। সিটিআই প্রস্তাব দিয়েছিল, বিক্ষোভ কর্মসূচিটি যাতে ১০ নভেম্বরের পরে করা হয়।
কিন্তু সোমবার সিটিআইয়ের আর্জি খারিজ করে দেন রাহুল। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে তিনি ‘উদ্বিগ্ন’ ব্যবসায়ীদের বিশেষ বার্তা দেন। বলেন, “আমরা আপনাদের ভালোবাসি। আপনাদের কথা শুনছি। সরকার মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে, রাস্তাঘাট অবরুদ্ধ করে দিয়েছে। রাজধানীতে কার্যত লকডাউনের পরিস্থিতি।” রাহুলের কথায়, “জনগণের রায় চুরি হয়ে গেলে কোনও কিছুই আর নিরাপদ থাকে না। না আপনার দোকান, না আপনার সঞ্চয়, না আপনার সন্তানদের ভবিষ্যৎ।” এরপরই তিনি বলেন, “মোদিকে বলুন যেন তিনি অভিযুক্ত নম্বর ৪, জ্ঞানেশ কুমারকে পদ থেকে সরিয়ে দেন, তাহলেই ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে এই বিক্ষোভ থেমে যাবে।”
Source: Sangbad Pratidin India (Bengali)
