জোড়াফুল প্রতীক এবং নাম কার হাতে থাকবে তা নিয়ে চলছে দড়ি টানাটানি! নথি জমা দিতে ঋত তৃণমূলকে আরও ১০ দিন সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এরমধ্যেই বিদ্রোহ ঋত শিবিরে! মমতা শিবিরে এবার যোগ দিতে চলেছেন হাসনের বিধায়ক কাজল শেখ (Kajal Sheikh)? পুজোর পর আজ, বিধানসভায় মমতা তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনী ছিল। সেখানেই উপস্থিত শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের হাত থেকে মিষ্টি খান কাজল। এরপরেই জোর জল্পনা, তাহলে খুব শীঘ্রই কালীঘাটে ‘ঘর-ওয়াপসি’ হতে চলেছে বিধায়কের! তবে সবটাই ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন কাজল। যদিও তিনি ফিরতে চাইলে স্বাগত বলেই জানিয়েছেন শোভনদেব।
বিধানসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের সংসার ভেঙে খান-খান হয়। তাঁর হাত ছেড়ে ঋত তৃণমূলে যোগ দেন ৬৪ জন বিধায়ক। সেই তালিকায় ছিলেন হাসনের বিধায়ক কাজল শেখও। কিন্তু পরবর্তী সময়ে অনুব্রত মণ্ডলও ঋত শিবিরে যোগ দেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময় থেকেই দুজনের সংঘাত কারোর অজানা নয়। কেষ্ট-কাজলের সংঘাতে একাধিক সময় দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে পড়তে হয়। বাংলায় রাজনৈতিকবদল হওয়ার পর শিবির বদল করেও কার্যত কোনঠাসা হয়ে পড়েন কাজল। শুধু তাই নয়, বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতির পদ থেকে হঠাৎ করেই পদত্যাগ করেন কাজল শেখ। এর নেপথ্যে অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের বড় ভূমিকা ছিল বলে দাবি। শুধু তাই নয়, কাজলের নিরাপত্তাও একধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। সূত্রের খবর, যা নিয়ে কাজল শেখ নাকি ক্ষুব্ধ ছিল বলেই খবর।
এরই মধ্যেই বিধানসভার লবিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজল শেখের মিষ্টি সৌজন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, মমতাপন্থী এই বিধায়কের মন্তব্যে বেড়েছে আরও জল্পনা। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় জানান, উনি আসতে চাইলে স্বাগত। বেশ কিছু বিধায়ক দলে আসতে চাইছেন। তবে কাদের কাদের নেওয়া হবে তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তবে সবাইকে যে নেওয়া হবে এমনটা নয় বলেই দাবি কালীঘাটপন্থী এই বিধায়কের। তবে কাজল শেখ আসতে চাইলে তাঁকে নেওয়া হবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।
