খাস কলকাতায় কালীপুজোর আগে বিপুল বেআইনি বাজি উদ্ধার। বড়বাজার থানা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে প্রায় ১১০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় একটি স্বতপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মহম্মদ তৌফিক নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কী করে ওই বাজি ওই খালি বাড়িটিতে এল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নিষিদ্ধবাজিগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
বড়বাজার থানা এলাকায় এনএস রোডের একটি পরিত্যক্ত আবাসনে বেআইনি আতশবাজি মজুতের খবর পায় পুলিশ। অভিযান চালানো হয়েছে। কার্টনবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হয় ১১০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি। তা উদ্ধারের পর বড়বাজার থানার এসআই উত্তম কুমার হালদারের অভিযোগের ভিত্তিতে স্বতপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করা হয় মহম্মদ তৌফিক নামে বছর উনিশের এক তরুণকে।
উল্লেখ্য, রাজ্যে কালীপুজোর প্রস্তুতি বৈঠক করেছে পুলিশ-প্রশাসন। প্রশাসনের স্পষ্ট নির্দেশ বেআইনি বাজি ব্যবহার করা যাবে না। বৃহস্পতিবার বৈঠক শেষে ফানুস বা এয়ার বেলুন ব্যবহারে কড়াকড়ির কথা জানিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তা। তিনি জানিয়ে দেন, ফানুস ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে। অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়া ফানুস বা এয়ার বেলুন ওড়ানো যাবে না। দুর্ঘটনা এড়াতে নিয়ম মানতে হবে। নবান্নের সভাঘর থেকে স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ গ্রিন বাজি ব্যবহারে জোর দেন।
তিনি স্পষ্ট করে দেন, সাইলেন্ট জোন অর্থাৎ হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। সেখানে নীরবতা বজায় রাখতে হবে। কালীপুজোর আগে বাজি বাজারের উপর নিয়ন্ত্রণ, নজরদারির কথাও বলেন তিনি। তাঁর কথায়, “নিজের আনন্দ যেন অন্যের দুঃখের কারণ না হয়।” তিনি মনে করেন, প্রশাসনের কড়াকড়ির থেকে মানুষের সচেতনা বেশি জরুরি। তাই বাজি ব্যবহার নিয়ে সকলের মধ্যে সচেতনা বৃদ্ধি করতে হবে।
