সিরিজ জয় হয়ে গিয়েছিল আগেই। তবে নিউজিল্যান্ডকে চুনকাম করতে পারল না ভারত। নিয়মরক্ষার ম্যাচে ৮৭ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে। বোলাররা চরম ব্যর্থ। লজ্জার নজিরও গড়লেন অর্শদীপরা। কিন্তু তারকাখচিত ব্যাটিং কেন ন্যূনতম লড়াই করতে পারল না? দলগঠন নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। তাছাড়া অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার (Shreyas Iyer) নিজেও ফর্মে নেই। সেগুলো নিয়ে কথা বললেন না। শ্রেয়স শুধুই বোলারদের দোষ দিয়ে গেলেন। আর ব্যাটারদের ‘ভুল’ ঢাকতে দোষ দিলেন অকল্যান্ডের মাঠকে।
টসে জিতে এদিনও প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। সিরিজ জয় যখন হয়ে গিয়েছে, তখন কি প্রথমে ব্যাটিং করা যেত না? যেখানে মাঠ একদমই ছোট। তাছাড়া এদিন বসিয়ে দেওয়া হয়েছে বৈভব সূর্যবংশী ও ভুবনেশ্বর কুমারকে। আগের ম্যাচে দারুণ ছন্দে ছিল বৈভব। নিয়মরক্ষার ম্যাচেও যদি একজন উঠতি প্রতিভাকে না খেলানো হয়, তাহলে আর কবে?
বোলিংয়ে ভুবনেশ্বরকে বসিয়েই বা কী লাভ হল? অর্শদীপ সিং বাদে সবার বোলিং গড় ১২-র উপর। নিউজিল্যান্ড শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ২৫৯ রান তোলে। ৪৯ বলে ১০৭ রান করেন গ্লেন ফিলিপস। এর আগে টি-টোয়েন্টিতে এত রান হজম করেনি ভারত। অর্শদীপ সিং এক উইকেট পেয়ে ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে ১৫০ উইকেটের নজির গড়েছেন। তবে সার্বিক লজ্জার হাত থেকে বাঁচাতে পারেননি। জবাবে ভারতীয় ব্যাটিং ১৭২ রানে গুটিয়ে যায়।
যা নিয়ে শ্রেয়স বললেন, “আমাদের বোলিং খারাপ হয়েছে। পাওয়ারপ্লেতে, বিশেষত থার্ড ওভারে ওরা ম্যাচের গতি হাতে নিয়ে নেয়। গ্লেন দারুণ দারুণ শট খেলেছে। যেগুলো দেখেও ভালো লাগে।” তৃতীয় ওভারে ময়ঙ্ক যাদব ২০ রান দেন। শ্রেয়স আরও বলেন, “নিজেদের পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখতে হবে। আমাদের ফিরে আসতে হবে। নিজেদের পরিকল্পনা নিয়ে ভাবতে হবে।”
কিন্তু ব্যাটারদের দোষ দেখছেন না ভারত অধিনায়ক। বড় রান তাড়া করতে নেমে সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষান ও অক্ষর প্যাটেল তাড়াতাড়ি আউট হয়ে যায়। তাহলে বৈভবকে বসিয়ে কী লাভ হল? অধিনায়ক শ্রেয়সের অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। ক্রিজে থিতু হয়েও ২২ রানে আউট হন। তিনি অবশ্য ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য অন্য একটি বিষয়কে দায়ী করেন। সেটা হল মাঠের চৌকো আকৃতি। এ যেন অনেকটা ‘নাচ না জানলে উঠোন বাঁকা’ অবস্থা। তিনি বলেন, “আমরা জানতাম, মাঠ এরকম হবে। অনেকেই প্রথমবার এই মাঠে খেলছে। মানিয়ে নেওয়া খুব কঠিন। তবে এর আগে তিন ম্যাচে ওরা দারুণ খেলেছে।”
