বিজেপি নেতা হলেই আর বসে বসে অর্থ উপার্জনের সুযোগ নেই। দলের পরিচয় হাতিয়ার করে রোজগার বরদাস্ত হবে! কাজ করতে হলে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে, জমা দিতে হবে বায়োডাটা। যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী মিলবে কাজের সুযোগ। পাণ্ডবেশ্বরের নবগ্রামে বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চ থেকে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এমনই কড়া বার্তা দিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি (Jitendra Tiwari)।
জিতেন্দ্রর কথায়, “ছ’মাস আগে এলাকার বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সরকারে আসার এই ক’দিনের মধ্যেই এলাকার বেকার যুবক-যুবতীদের কাজের সুযোগ করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।” বায়োডাটা জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তাঁদের কাজ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান বিধায়ক। তবে এই কর্মসংস্থানের উদ্যোগে প্রথম তালিকায় দলের নেতাকর্মীদের রাখার কথাও স্পষ্ট করেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। অর্থাৎ বিজেপির নেতা-কর্মীরাও কাজের সুযোগ পাবেন, কিন্তু তাঁদের ক্ষেত্রেও যোগ্যতাই হবে প্রধান মাপকাঠি। রাজনৈতিক পরিচয় দেখিয়ে কোনও বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে না।
জিতেন্দ্র তিওয়ারির স্পষ্ট বার্তা, “কাজ করে অর্থ রোজগার করতে হবে, বিজেপি নেতা হয়ে বসে বসে রোজগার করার দিন শেষ। বায়োডাটা জমা দিন। যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবেন। কিন্তু বসে বসে কোনও টাকা রোজগার করতে পারবেন না।” সেই সঙ্গে পাণ্ডবেশ্বরের সন্ত্রাসের আবহ দূর হয়েছে বলেও দাবি করেন বিধায়ক। তাঁর দাবি, “তৃণমূল জামানায় কোনও উৎসব হলেও বিরোধীদের আমন্ত্রণ জানানো যেত না। আমাকেও অনেকে আমন্ত্রণ করেছে, কিন্তু আসতে বারণ করেছে। কারণ একটাই, উৎসবে যোগ দিলে হামলা হতে পারে। সেইসব পরিবেশ আর নেই।”
