সিএএ-র অধীনে নাগরিকত্বের শংসাপত্র ডিসেম্বরের মধ্যে দেওয়া হবে। ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরই প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে নদিয়ায় ৬ আইএএস আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছে। সেই খবরে খুশির হাওয়া নদিয়ার মতুয়া মহলে। মঙ্গলবার ডঙ্কা, কাঁসর বাজিয়ে চলল আনন্দ-উৎসব। তাতে অংশ নিলেন হরিণঘাটা বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারও। বাঁধলেন গানও। কথায় উঠে এল উদ্বাস্তু মতুয়াদের নাগরিকত্ব পাওয়ার লড়াই ও নতুন আশার কথা।
মঙ্গলবার মোল্লাবলিয়া এলাকায় ডঙ্কা ও কাঁসর বাজিয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন তাঁরা। কেন এই উৎসব? তাঁদের বক্তব্য, নাগরিকত্বের আবেদন ও বিভিন্ন কাজ নিয়ে বিগত দিনে অনেক সমস্যা ছিল। শংসাপত্র মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। বিজেপি সরকারের ঘোষণা ও আইএএস আধিকারিক নিয়োগ সেই কাজে গতি আনবে বলেই মনে করছেন তাঁরা। এই প্রসঙ্গে হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে একটি গানও রচনা করেছেন। গানের কথায় বলেন, “উদ্বাস্তু মতুয়াদের মধ্যে নবজাগরণ, আনন্দেতে সবাই করছে কীর্তন। এমন মুখ্যমন্ত্রী কভু তো পাইনি, তাই এখান থেকে তাঁর চরণে শ্রদ্ধা জানাই।”
উল্লেখ্য, বনগাঁর ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি ঘোষণা করেছেন যে সমস্ত মতুয়ারা সিএএতে আবেদন জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে নবান্নের নির্দেশে মোট ১২ জন আইএএস আধিকারিককে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া—দুই জেলার জন্য ছয়জন করে আইএএস আধিকারিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যাজিস্ট্রেট ও অ্যাসিস্ট্যান্ট কালেক্টর পদে কর্মরত ওই আধিকারিকরা আগামী দু’মাস সংশ্লিষ্ট দুই জেলার প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত থেকে সিএএ সংক্রান্ত কাজের অগ্রগতি তদারকি করবেন। তারপরই খুশির হাওয়া মতুয়া মহলে।