এবার লালবলের ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন। মাসখানেক আগেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন মহম্মদ শামি। হয়তো জাতীয় দলের লাগাতার বঞ্চনা, হতাশা ভিতরে ভিতরে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল দেশের অন্যতম সেরা পেসারকে। তবে জাতীয় দলের হয়ে আর টেস্ট না খেললেও শামিকে রনজি ট্রফিতে খেলাতে চায় বাংলা। সিএবি সূত্রের খবর, বর্ষীয়ান পেসারকে বাংলার জার্সিতে খেলানোর সবরকম চেষ্টা করা হবে।
আসলে প্রায় ৩ বছর ধরে দেশের হয়ে টেস্ট খেলা হয়নি তাঁর। কোনও এক অজ্ঞাত কারণে প্রাক্তন নির্বাচকপ্রধান অজিত আগরকরের চক্ষুশূল হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। আশায় ছিলেন, নির্বাচকপ্রধান পদে আগরকরের বদলে অন্য কেউ এলে হয়তো তাঁর ভাগ্য খুলবে। কিন্তু তেমন কিছু হয়নি। অজিত আগরকর তাঁকে যেভাবে উপেক্ষার চোখে দেখেছেন, একই উপেক্ষা তিনি পেলেন প্রজ্ঞান ওঝার কাছ থেকেও। যখন দেখলেন, নির্বাচকপ্রধান বদলের পরও তাঁর জন্য জাতীয় দলের দরজা খুলল না, তখনই দেওয়াললিখন পড়ে ফেলেছিলেন শামি। সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন টেস্ট থেকে অবসর নেবেন। মাথায় ছিল, ৬ নভেম্বর অভিষেকের দিন। ভেবেচিন্তে সেই দিনটিকেই অবসরের দিন হিসাবে বেছে নিলেন।
লাল বলের ক্রিকেট ছাড়লেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এখনও দেখা যাবে শামির ম্যাজিক। আপাতত সেটাই স্বস্তি তাঁর অনুরাগীদের জন্য। সাদা বলের ক্রিকেটে জাতীয় দলের দরজায় ফের কড়া নাড়বেন তিনি।
বাংলার হয়েও বিভিন্ন সীমিত ওভারের টুর্নামেন্টে খেলবেন। তবে আপাতত শামির যা ঘোষণা তাতে রনজি ট্রফিতে তিনি খেলতে চান না। যদিও সূত্রের খবর, যেভাবেই হোক দলের অন্যতম সেরা পেসারকে এ মরশুমে রনজির পরবর্তী পর্যায়ের ম্যাচগুলিতে নামাতে চায় সিএববি। বঙ্গ ক্রিকেট কর্তারা ঠিক করেছেন, দ্রুত শামির সঙ্গে আলোচনায় বসা হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের আগে রনজি ট্রফিতে আর ম্যাচ নেই বাংলার। ততদিনে শামির সঙ্গে কথা বলে তাঁকে বোঝানো হবে। আপাতত বাংলার জার্সিতে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাঁকে দেখা যাবে।
