Hashtagintro

গুরপ্রীতের ব্যর্থতার পরদিন টাইব্রেকারে নায়ক ‘ব্রাত্য’ বিশাল, পাঞ্জাবকে হারিয়ে শিল্ড ফাইনালে মোহনবাগান

সদ্য ব্রাজিল-ভারত ম্যাচ দেখেছে দেশের ফুটবল ভক্তরা। ব্লু টাইগার্সদের লড়াইদের প্রশংসা হচ্ছে বিদেশেও। সেই ম্যাচে গুরপ্রীত সিং সান্ধু ভুল না করলে কি হত? সেই প্রশ্নের মধ্যেই জ্বলে উঠলেন বিশাল কাইথ। জাতীয় দলে ব্রাত্য হলেও মোহনবাগানকে একার হাতে আইএফএ শিল্ড ফাইনালে তুলল। তবে হতাশাজনক ফুটবল মোহনবাগান ও পাঞ্জাব এফসি, দু’দলই। সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে মোহনবাগান ৪-৩ গোলে জিতল ঠিকই। কিন্তু দু’দলেরই এত বিরক্তিকর ফুটবল দেখে হতাশা জাগতে বাধ্য।

চোটের জন্য মোহনবাগান দলে নেই জেমি ম্যাকলারেন। কিন্তু এখনও কেন দলে লিস্টন কোলাসো। লিগ পর্বে প্রতিটা ম্যাচে পারফরম্যান্স ক্রমশ খারাপ হয়েছে। রিজার্ভ বেঞ্চে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো তরুণ, গতিশীল উইঙ্গার বসে। তবু সবুজ-মেরুন কোচ প্যানাজিওটিস দিলেমপেরিস কেন লিস্টনকেই এত সুযোগ দেন, প্রশ্ন থেকে যায়। একইভাবে শুভাশিস বোসকেও ভাবার সময় এসেছে। অবশ্য প্রথমার্ধে দু’টো দলই খারাপ খেলার প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছিল। কারও মধ্যে কোনও তাগিদ নেই। পাসের ঠিকঠিকানা নেই। ছন্নছাড়া ফুটবলে বিরক্তি জাগা খুব স্বাভাবিক।

এর মধ্যে দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন চেষ্টা করেছিলেন ছাংতে। তাঁর একটি সাইড ভলি কোনও রকমে বাঁচান পাঞ্জাবের গোলকিপার। অন্যদিকে বিশাল কাইথও মোহনবাগানকে বিপদ থেকে বাঁচান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লিস্টনের জায়গায় আনা হয় মিগুয়েলকে। আক্রমণে নতুন সঙ্গী পান লি আরউইন। তাতে বলের দখল বাড়ে, কিন্তু তার থেকে বেশি কাজের কাজ হয়নি। বক্সের আশপাশে এসে ঠিকানা হারাচ্ছিল দুই দল। গোল লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কয়েকটা শট ছাড়া কিছুই বলার নেই। নজর কাড়তে পারেননি পাঞ্জাবের মেসি বৌলিও। ৮৫ মিনিটে মিগুয়েলের ফ্রি কিক থেকে গোল করে ফেলেছিলেন শুভাশিস বোস। কিন্তু লাইন্স ম্যানের অফসাইডের ইশারা মোহনবাগানের উৎসবে জল ঢেলে দেয়।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও ড্র। এরপর টাইব্রেকারে জোড়া শট বাঁচিয়ে নায়ক বিশাল। 

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language