রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর স্থানীয় প্রশাসনের একাধিক স্তরে বদলেছে ক্ষমতার সমীকরণ। কোথাও কোথাও পুরবোর্ড বা জেলা পরিষদ হাতছাড়া হয়েছে প্রাক্তন শাসকদলের। বোর্ড দখল করেছে বিজেপি। নির্বাচিত বোর্ডের বদলে প্রশাসকের হাতে উঠেছে দায়িত্ব। সেই ছবির ব্যতিক্রম উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ। ৬৬ আসনের ৬৬টিই তৃণমূলের দখলে। পালাবদলের ধাক্কায় বদলায়নি বোর্ড। সেই অটুট জেলা পরিষদেই মঙ্গলবার হবে গুরুত্বপূর্ণ এক কর্মাধ্যক্ষ পদে নির্বাচন। সেই আসন কার দখলে যায়, সেটাই দেখার।
তৃণমূল ছেড়ে আইএসএফে যোগ দিয়ে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে দেগঙ্গার প্রার্থী হয়েছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য মফিদুল হক সাহাজি ওরফে মিন্টু। দলবদলের সময় তিনি ওই স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকেও ইস্তফা দেন। তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই এবার নতুন কর্মাধ্যক্ষ বাছাই হবে। স্থায়ী সমিতির সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে হবে নির্বাচন।
জানা যাচ্ছে, আগামী মঙ্গলবার দুপুরে তিতুমির হলে ক্ষুদ্র শিল্প, বিদ্যুৎ ও অচিরাচরিত শক্তি স্থায়ী সমিতির বৈঠক ডাকা হয়েছে। সদস্যদের নোটিসও পাঠানো হয়েছে। জেলাশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া বলেন, ‘‘আইন মেনে নোটিস দেওয়া হয়েছে। নিয়মমতো মঙ্গলবার কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচন হবে।” তৃণমূল ছেড়ে আইএসএফে যোগ দিয়ে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে দেগঙ্গার প্রার্থী হয়েছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য মফিদুল হক সাহাজি ওরফে মিন্টু। দলবদলের সময় তিনি ওই স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকেও ইস্তফা দেন। তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই এবার নতুন কর্মাধ্যক্ষ বাছাই হবে। স্থায়ী সমিতির সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে হবে নির্বাচন। ফলে ৬৬-তে ৬৬ তৃণমূলের জেলা পরিষদে দলবদল করে যাওয়া এক কর্মাধ্যক্ষের জায়গায় নতুন মুখ বাছাই ঘিরে রাজনৈতিক নজরও রয়েছে।
রাজ্যের অন্যত্র পালাবদলের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের ক্ষমতার কাঠামো বদলালেও উত্তর ২৪ পরগনার মতো বৃহৎ জেলা পরিষদে এখনও পুরনো বোর্ডই বহাল। ফলে মঙ্গলবারের নির্বাচন শুধু শূন্যপদ পূরণ নয়, পালাবদলের পরেও জেলা পরিষদে তৃণমূলের অটুট নিয়ন্ত্রণের ছবির মধ্যেই নতুন কর্মাধ্যক্ষ বাছাই। তাই সাহাজির পদে শেষ পর্যন্ত কাকে বসানো হয়, সেটাও দেখার। এনিয়ে বারাসত সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি দীপঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, “আমি সদ্য সভাপতি হয়েছি। ফলে পুরো বিষয়টি এখনও বিস্তারিত জানা নেই। দল এখনও আমাকে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশ দেয়নি। দল যা নির্দেশ দেবে, আমি সেই নির্দেশই পালন করব। এই মুহূর্তে এ বিষয়ে কিছু বলার নেই।”
