বঙ্গ বিজেপির নজরে জেন জি। মোর্চা থেকে শুরু করে বিভিন্ন কমিটিতে নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েদের গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ এসেছে দিল্লি থেকে। নতুন প্রজন্মের সঙ্গে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ। সম্প্রতি সাত জেলায় বিজেপির সভাপতি বদল হয়েছে। ওই সাত জেলায় নতুন করে কমিটি গঠন হবে। যুব ও মহিলা মোর্চার পূর্ণাঙ্গ কমিটি তৈরি হবে। যুব মোর্চার কমিটিতে স্বাভাবিকভাবেই তরুণ প্রজন্ম থাকবে। পাশাপাশি মহিলা মোর্চার বিভিন্ন কমিটিতেও তরুণীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
যুব মোর্চার রাজা সভাপতি অমিত সামন্ত জানিয়েছেন, প্রতি বুথে ১০০ জন করে রাষ্ট্রবাদী যুব কার্যকর্তা নির্মাণ করাই হবে প্রথম লক্ষ্য। যারা মানুষের জন্য কাজ করবে এবং সরকার যেসব কর্মসূচিগুলো নিয়েছে সেগুলো মানুষের কাছে বেশি বেশি করে তুলে ধরবে, প্রচার করবে।
প্রসঙ্গত, নিট প্রশ্ন ফাঁস ইস্যুতে জেন জি-র আন্দোলনে উত্তাল হয়েছিল দেশ। জ্ঞানেশ কুমার ইস্যুতেও পথে নেমেছে সিজেপি। সেখানেও জেন জি-র অংশগ্রহণ রয়েছে। এবার বিজেপিও চাইছে দলীয় ও শাখা সংগঠনের বিভিন্ন কমিটিতে তরুণ প্রজন্মকেই গুরুত্ব দিতে। এদিকে, বঙ্গ বিজেপির যুব সংগঠন যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পেয়েই সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে চান অমিত সামন্ত। তিনি আমতার বিধায়কও। প্রতি বুথে ১০০ জন করে রাষ্ট্রবাদী যুব কার্যকর্তা তৈরি করতে চান অমিত।
যুব মোর্চার রাজা সভাপতি অমিত সামন্ত জানিয়েছেন, প্রতি বুথে ১০০ জন করে রাষ্ট্রবাদী যুব কার্যকর্তা নির্মাণ করাই হবে প্রথম লক্ষ্য। যারা মানুষের জন্য কাজ করবে এবং সরকার যেসব কর্মসূচিগুলো নিয়েছে সেগুলো মানুষের কাছে বেশি বেশি করে তুলে ধরবে, প্রচার করবে। এছাড়া, সরকারের যেসব উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে সেগুলো যাতে মানুষের কাছে ঠিকভাবে পৌঁছায়, সাধারণ মানুষ তার সুবিধা সুযোগ পায় সেটার জন্য কাজ করবে ওই কার্যকর্তারা। যুবক রাষ্ট্রবাদী কার্যকর্তাদের মধ্যে রাষ্ট্রবাদী মানসিকতা গড়ে তোলার জন্য তাদের প্রয়োজনীয় ক্লাস নেওয়া হবে। তাদের রাষ্ট্রবাদী চেতনার সঠিকভাবে জানার জন্য বই দেওয়া বা প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে যুব মোর্চার তরফে। এইভাবে যুব সম্প্রদায়কে আরও বেশি রাষ্ট্রবাদী করা হবে এবং জনসাধারণের জন্য কাজ করার মানসিকতায় গড়ে তোলা হবে। এছাড়া যুবকদের কর্মসংস্থানের দিকেও লক্ষ্য থাকবে যুব মোর্চার। অমিত জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে শিল্পায়নের চেষ্টা করছেন বা যুবকদের নিয়োগ করার চেষ্টা করছেন সেই নিয়োগের সুফল যাতে সমাজের যুবকদের কাছে পৌঁছে যায় সেই বিষয় তারা কাজ করবে। যাতে করে বাংলার অতীত গৌরব ফিরে আসে, মুবকদের হাতে। কাজ থাকে সেটা রূপায়ণ করাও লক্ষ্য থাকবে।