ভোটমুখী পাঞ্জাবে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ। সেই মামলায় ভগবন্ত মানের দপ্তরে তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। এরপরই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপিকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সিবিআই এসেছে। এবার ইডির পালা।” পালটা মানকে তোপ দেগেছে গেরুয়া শিবির।
মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি পাঞ্জাব নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। আমার ক্যাম্প অফিসে সিবিআই তল্লাশি চালিয়েছে। এখন পাঞ্জাব সরকার ও আমার মর্যাদাহানি করার জন্য ইডি -সিবিআইকে অপব্যবহার করা হবে। জনগণের কাছ থেকে আমি যে ভালোবাসা ও সমর্থন পাচ্ছি, তা দেখে বিজেপি বিচলিত হয়ে পড়েছে। এ রাজ্যে তারা নিজেদের পায়ের তলার মাটি শক্ত করার জন্য মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।” মানের অভিযোগ, পাঞ্জাবকে কোণঠাসা করার চেষ্টায় রয়েছে বিজেপি। সে কৃষকদের আন্দোলনই হোক, রাজ্যের জলবণ্টন বা পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গই হোক। তাঁর কথায়, “ক্যাম্প অফিসে সিবিআই-এর এই পদক্ষেপ আসলে আসন্ন নির্বাচনের জন্য বিজেপির প্রস্তুতিরই একটি অংশ।”
এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির প্রবীণ নেতা তরুণ চুঘ নৈতিক কারণে মানের পদত্যাগ দাবি করেছেন। বলেন, “হাই কোর্টের নির্দেশ মেনেই সংশ্লিষ্ট সংস্থাটি তার দায়িত্ব পালন করছে।” তাঁর প্রশ্ন, গোটা ঘটনায় আম আদমি পার্টির (আপ) সরকার কেন বিচলিত? চুঘের সাফ কথা, “কেন্দ্র সিবিআইকে পাঞ্জাবে পাঠায়নি। বরং ইডির পেশ করা তথ্যের ভিত্তিতে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্ট মামলা দায়ের ও তদন্তের নির্দেশ দেয়।”
