Hashtagintro

‘আরশোলা’ অভিজিৎকে আটক করতে মহিলা অফিসার! কেন এহেন ‘কৌশল’ দিল্লি পুলিশের?

দিল্লিতে আন্দোলন শুরুর আগেই বিমানবন্দরে ‘নাটক’ ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রধান তিন নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা। শনিবার তাঁদের বিমান ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পরই পুলিশ বিমানের ভিতর থেকেই আটক করে সৌরভদের। তবে দেখা যায়, তাঁদের আটক করার দায়িত্বে মহিলা পুলিশ অফিসাররা। আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন। কেন পুরুষ নয়, মহিলা পুলিশ আধিকারিকদেরই পাঠানো হচ্ছে?

সত্যিই কি এটা সুচিন্তিত ‘রণকৌশল’? পুলিশের তরফে আলাদা করে কিছু জানানো হয়নি। তবে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ব্যাখ্যা, দিল্লি পুলিশ সম্ভবত আন্দাজ করেছিল, যদি পুরুষ পুলিশ আধিকারিকদের পাঠানো হয় তাহলে আটক করার মুহূর্তে আন্দোলনকারীরা তাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে পারেন। এমনকী সামান্য কথা কাটাকাটি থেকেই বড় গোলমাল শুরু হয়ে যেতে পারে। এমন কোনও সম্ভাবনা যাতে তৈরিই না হয়, তা নিশ্চিত করতে দিল্লি পুলিশ মহিলা পুলিশ আধিকারিকদের পাঠিয়ে দিয়েছিল। এও বলা হচ্ছে, ২০ জুলাইয়ের কথা মাথায় রেখেই দিল্লি পুলিশ মহিলা পুলিশ আধিকারিকদের এগিয়ে দেওয়াট স্ট্র্যাটেজি নিচ্ছে।

এদিকে এদিন আটক হওয়ার পর ‘আরশোলা’রা বলেন, “স্বৈরাচারীরা ভয় পেয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফা দিতেই হবে।” অন্যদিকে, যন্তর মন্তরের প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে তোপ দেগেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য, ‘আরশোলা’দের নেপথ্যে রয়েছে বিদেশি শক্তি। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন বলেন, “আজ দেশে অত্যন্ত বিপজ্জনক ও গুরুতর পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। এমন এক দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে যেখানে ১৪০ কোটি মানুষ শান্তি ও সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে। কারা এসব করছে?” তিনি আরও বলেন, “এর নেপথ্যে রয়েছে দু’টি নৈরাজ্যবাদী গোষ্ঠী। একটি কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ‘ইন্ডি’ জোট। অন্যটি আম আদমি পার্টি (আপ)-র প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সহযোগীরা অর্থাৎ ‘ককরোচ’রা। আমি উভয় গোষ্ঠীকেই স্পষ্ট জানাতে চাই যে, ভারতের জনগণ আপনাদের আসল উদ্দেশ্য ধরে ফেলেছে।”

Source: Sangbad Pratidin Education (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Education (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language