Hashtagintro

পাহাড় সমস্যার সমাধানে তৎপরতা, কেন্দ্রীয় সরকার নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক!

পাহাড় সমস্যার স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান খুঁজতে ফের তৎপরতা শুরু। বৃহস্পতিবার থেকে দার্জিলিংয়ের একটি অভিজাত হোটেলে কেন্দ্রীয় সরকার নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী পঙ্কজকুমার সিংয়ের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক চলছে পাহাড়ের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর। বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সহসচিব অরবিন্দ খের এবং রাজ্য স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ রয়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রথম বৈঠকে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার শীর্ষ নেতৃত্ব পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবি থেকে সরে তরাই ও ডুয়ার্স সমতলের ৩৯৬টি গোর্খা অধ্যুষিত মৌজা নতুন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি রেখেছে৷

অন্যদিকে, শুক্রবার গোর্খাল্যান্ড অ্যাপেক্স কমিটি ও ইন্ডিয়ান গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্ট জানিয়েছে পৃথক রাজ্য গঠন ছাড়া পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্সের সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, আগস্ট মাসে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে গোর্খা প্রতিনিধি দলের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত মেনে পঙ্কজকুমার সিংয়ের নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি গঠন করে কেন্দ্র। ভারতীয় সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য একটি স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের রূপরেখা ও চুক্তি চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওই কমিটিকে।

বৃহস্পতিবার বিমল গুরুংয়ের নেতৃত্বাধীন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন। মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি জানান, পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য স্মারকলিপি মধ্যস্থতাকারীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রধান দাবিগুলির মধ্যে অন্যতম তরাই ও ডুয়ার্স সমতলের ৩৯৬টি গোর্খা অধ্যুষিত মৌজাকে নতুন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ১১টি গোর্খা জনগোষ্ঠীকে তফসিলি জনজাতির মর্যাদা এবং গোর্খা জনগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য শক্তিশালী সাংবিধানিক সুরক্ষাকবচ দিতে হবে। অসমের প্রসঙ্গ টেনে রোশন গিরি জানান, অসমে যখন বরোল্যান্ড টেরিটোরিয়াল কাউন্সিল গঠনের সময় একাধিক জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

এদিকে শুক্রবার ‘গোর্খাল্যান্ড অ্যাপেক্স কমিটি’ এবং ইন্ডিয়ান গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্ট পৃথক রাজ্যের দাবির পক্ষে সওয়াল করে। গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্টের নেতা অজয় এডওয়ার্ড জানান, পৃথক রাজ্য গঠন ছাড়া পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্সের সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। প্রস্তাবিত নতুন রাজ্যের নাম যাই হোক না কেন দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং ও মিরিকের পাশাপাশি তরাই এবং ডুয়ার্স অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

Source: Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language