মধ্যবিত্ত পরিবারে যেকোনও জিনিসপত্রের আয়ু যেন শেষই হয় না। তা সে পুরনো জামাকাপড় হোক কিংবা শাড়ি। পুরনো পোশাক দিয়ে পাপোস কিংবা মোছার জন্য ব্যবহার করা খুবই স্বাভাবিক ব্যয়। আপনার বাড়িতেও কি সেই চল রয়েছে? তবে জানেন কি বাস্তুশাস্ত্র এবং জোতিষ মতে এই অভ্যাস নাকি বেশ ক্ষতিকারক।
জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, চাঁদ, শুক্র এবং সূর্য বাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে যুক্ত। মানসিক শান্তি, ধৈর্য, সহ্য এবং আবেগের প্রতীক হল চাঁদ। আবার সৌন্দর্য ও বিলাসিতার প্রতীক শুক্র। পরিষ্কার ঘরকে সবসময়ই ইতিবাচক শক্তির আধার হিসাবে ধরা হয়। তাই সেই ঘর পরিষ্কারের সময় ছেঁড়া, পুরনো পোশাক ব্যবহারের অর্থ ইতিবাচক শক্তিকে বাধা দেওয়া বলেই মনে করেন বাস্তুশাস্ত্রবিদরা।
শুধু তাই নয়, যাঁরা বাড়িতে থাকেন তাঁদের মানসিক শান্তিও বিঘ্নিত হতে পারে। দাম্পত্য অশান্তি, পরিবারের সকলের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির সম্ভাবনাও তৈরি হয়। এছাড়া এই অভ্যাসের ফলে আপনার জীবন থেকে এক লহমায় উধাও হতে পারে সুখ। দুঃখ করেই কাটাতে হতে পারে বাকি জীবন। কারও কারও মতে, এই পুরনো, ছেঁড়া কাপড়ের সঙ্গে রাহু সম্পর্কযুক্ত। সেক্ষেত্রে এই ধরনের কাপড় দিয়ে নোংরা পরিষ্কার করলে ঘরে রাহুর অশুভ শক্তি সক্রিয় হতে পারে। যা আপনার জীবনে সাফল্যের বাধা হয়ে উঠতে পারে। সে কারণে বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, মোছার জন্য সবসময় পরিষ্কার কাপড় কিংবা উপযুক্ত সরঞ্জাম ব্যবহার করুন। তাতেই প্রকৃত অর্থে নেতিবাচক শক্তির বাড়ি থেকে বিদায় হবে। ইতিবাচক শক্তিতে ভরে উঠবে জীবন।
ঘর মোছার ক্ষেত্রে আরও কিছু নিয়ম মানা প্রয়োজন, সেগুলি হল:
- সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের সময় ঘর পরিষ্কার করবেন না। এই সময় ঘর পরিষ্কার করলে ইতিবাচক শক্তির প্রভাব ব্যাহত হতে পারে।
- নেতিবাচক শক্তিতে দূর করতে ঘর মোছার সময় অবশ্যই এক চিমটে সৈন্ধব লবণ জলে মিশিয়ে নিন। তবে তা গলে না যাওয়া পর্যন্ত ঘর মুছবেন না। তাতে অশুভ শক্তির প্রভাব পড়তে পারে।
