শনিবার ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী দিল্লি। এসআইআরে নির্বাচন কমিশনের ‘অনৈতিক’ ভূমিকার বিরুদ্ধে, মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর ডিডিইউ মার্গে হাজির হয়েছিলেন অসংখ্য ছাত্র-যুব। বিক্ষোভকারীদের আটক করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুক্তিও দিয়েছে। সব মিলিয়ে রাজধানী দিল্লি এখন উত্তপ্ত। এহেন পরিস্থিতিতে ফের কঙ্গনা রানাউতের নিশানায় ‘আরশোলা’রা। নর্দমার আবর্জনার পর এবার ‘দেশবিরোধী শক্তি’ কটাক্ষ। শুধু কঙ্গনাই নন, দীপকে, সৌরভদের টিপ্পনি কেটেছেন ‘শক্তিমান’ মুকেশ খান্না।
বিভিন্ন ইস্যুতে তিনি নিজের মতামত পেশ করেন। এক্ষেত্রেও তাঁর ব্যতিক্রম হল না। শনিবার দিল্লিতে ঘটে যাওয়া ঘটনার নেপথ্যে একটি ভিডিও শেয়ার করে ‘ককরোচ’দের কার্যত কোণঠাসা করেছেন মুকেশ। তোপ দেগেছেন মোদি বিরোধি জার্মানি ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে। ‘ককরোচ’দের হুঁশিয়ারি, ‘বাড়াবাড়িরও একটা সীমা আছে।’

ভিডিওবার্তায় মুকেশের স্পষ্ট কণ্ঠস্বর, “আজ দিল্লিতে যা কিছু ঘটেছে আমার সবটাই ভালো লেগেছে। আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই। প্রথম থেকেই বলে আসছি, আমাদের বাড়িতে ককরোচ ঢুকলে তাকে নির্মূল করা উচিত। আজ দিল্লি পুলিশ ও সরকার সেই ককরোচদের বিরুদ্ধে ঠিক সেই পদক্ষেপই করেছে, ঠিক যেটা আমি চেয়েছিলাম। ওদের ঔদ্ধত্য, সাহস দেখুন।”
View this post on Instagram
মুকেশের নিশানায় সিজেপির মুখ অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কা। তিনজনের উদ্দেশ্যে অভিনেতার বাক্যবাণ, “এই তিনজন ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুককে খুব ভালোভাবে ব্যবহার করছে। ওঁদের ভিডিওয় ভরে গিয়েছে সোশাল মিডিয়া। মোদির বিরুদ্ধে হাসিঠাট্টা করে ভিডিও পোস্ট করছে এবং বলছে, মোদি ভয় পেয়ে গিয়েছেন।”
‘আরশোলা’দের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেছেন, “এত পুলিশ মোতায়েন করেছেন, ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছেন। ৫৬ ইঞ্চি ছাতির মানুষটি নাকি আমাদের ভয় পাচ্ছেন! ওঁরা আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করছে, ব্যঙ্গ করছে এবং বলছে, পরের দিন আসবে। অথচ পরের দিনই বিমানে ওঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর আবার বলছে গ্রেপ্তার হতেই নাকি এসেছে। শেষ পর্যন্ত ওরা যন্তর মন্তরেও পৌঁছতে পারেনি।”
