Hashtagintro

মশা নিধনে নতুন পথ দেখিয়ে চমক! বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের তালিকায় বাংলার অধ্যাপক

বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের মধ্যে একজন! এ এক বিরল কৃতিত্ব নিঃসন্দেহে। নিজের সারাজীবনের গবেষণা কাজের নিরিখে সেই ব্যতিক্রমী শিরোপাই পেলেন বাংলার এক বিজ্ঞানী। বিশ্বের প্রথম ২ শতাংশ শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীর মধ্যে জায়গা করে নিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তথা প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র। ২০২১ সাল থেকে ২০২৬, টানা ৬ বছর আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তালিকায় নিজের জায়গা করে নিলেন গৌতমবাবু। মশা নিয়ে গবেষণায় খ্যাতি অর্জন করেছেন তিনি। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে সদ্য প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকা। ২০২৫-২৬ বছরের সেই তালিকায় গৌতমবাবুর র‍্যাঙ্ক ২ লক্ষ ৮০ হাজার ৬৫৮।

মশা নিয়ে বরাবর গবেষণা করেছেন অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র। বেশ কিছু আবিষ্কার মশা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। মশা বিশেষজ্ঞ হিসেবে এ রাজ্যে পরিচিত গৌতমবাবু। তবে তাঁর মূল কাজের ফিল্ড ক্লিনিক্যাল মেডিসিন, সাব ফিল্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন। সাব ফিল্ডে বিশ্বের মধ্যে তাঁর র‍্যাঙ্ক ৩৯৯। এই র‍্যাঙ্ক চলতি বছরের নিরিখে। কেরিয়ার জুড়ে অবদানেও আলাদা র‍্যাঙ্ক তৈরি করেছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়‌। তাতে গৌতমবাবুর গ্লোবাল র‍্যাঙ্ক ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৮৯। সাব ফিল্ডে তাঁর র‍্যাঙ্ক হয়েছে ৫৮৫।

মশা নিয়ে বরাবর গবেষণা করেছেন অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র। বেশ কিছু আবিষ্কার মশা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। মশা বিশেষজ্ঞ হিসেবে এ রাজ্যে পরিচিত গৌতমবাবু। তবে তাঁর মূল কাজের ফিল্ড ক্লিনিক্যাল মেডিসিন, সাব ফিল্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন। সাব ফিল্ডে বিশ্বের মধ্যে তাঁর র‍্যাঙ্ক ৩৯৯। এই র‍্যাঙ্ক চলতি বছরের নিরিখে। কেরিয়ার জুড়ে অবদানেও আলাদা র‍্যাঙ্ক তৈরি করেছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়‌। তাতে গৌতমবাবুর গ্লোবাল র‍্যাঙ্ক ২ লক্ষ ৫৮ হাজার ৩৮৯। সাব ফিল্ডে তাঁর র‍্যাঙ্ক হয়েছে ৫৮৫। ২০২১ সাল থেকে টানা এই সম্মান পাচ্ছেন গৌতমবাবু, যা বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে অত্যন্ত গর্বের।

গৌতমবাবু গত জুলাই মাসেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মজীবনের ৩৫ বছর পূর্ণ করেছেন। তাঁর অধীনে বহু ছাত্রছাত্রী গবেষণায় সাফল্য পেয়েছেন। ইতমাসেই তাঁর অধীনে ৩৫ ও ৩৬তম পড়ুয়া পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। সম্প্রতি ফাইলেরিয়া বাহক মশা নিধনে নয়া ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেছেন গৌতমবাবু ও তাঁর দুই ছাত্রছাত্রী নন্দিতা চৌধুরী ও ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। তাঁরা গবেষণায় নয়া ব্যাকটেরিয়া অ্যালকালিজেনেস ফেকালিস (বিউএমসিএন০১) ব্যাকটেরিয়ার সন্ধান পেয়েছেন। এই ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন মশার লার্ভার উপর পরীক্ষানিরীক্ষা চালানো হয়। তাতে দেখা গিয়েছে, এই ব্যাকটেরিয়া কিউলেক্স মশার লার্ভা মারতে সক্ষম হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ম্যাগাজিনে সেই গবেষণাপত্র প্রকাশিতও হয়েছে।

Source: Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language