Hashtagintro

বলিউড গানে ভোটের প্রতিশ্রুতি! বিতর্কে কানাডার মেয়র পদপ্রার্থী ভারতীয় বংশোদ্ভুত দীপিকা

নির্বাচনী প্রচারে কে কত চমক দিতে পারেন, সেদিকে নজর থাকে ভোটারদের। প্রার্থীর প্রচার নজরকাড়া হলে তাঁকে ভোট দেওয়া নিয়ে অন্তত ভাবনাচিন্তা করেন মানুষ। তাই চমকপ্রদ প্রচার হিসেবে বলিউডি গানকে হাতিয়ার করেছিলেন কানাডার এক মেয়র পদপ্রার্থী। ভারতীয় বংশোদ্ভুত দীপিকা ডামেরলা মিসিসাগার মেয়র পদের জন্য লড়ছেন। ভোটারদের প্রতিশ্রুতি দিতে গিয়ে তিনি বলিউডের বিখ্যাত গান ব্যবহার করে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। কারও কারও তা ভালো লাগলেও বিস্তর হাসাহাসি করেছেন অনেকে। এই বিতর্কের মুখে পড়ে ক্ষমা চেয়ে সেই পোস্ট মুছে ফেললেন তিনি। তবে কি প্রচারে একটু পিছিয়ে গেলেন? তার উত্তর জানা নেই এখনও।

‘ক্যায়া হুয়া তেরা ওয়াদা’ – বলিউডের এই বিশ্ববিখ্যাত গানটি নিজের নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহার করেছিলেন দীপিকা। গানের কথা বদলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি মেয়র হলে নাগরিকের সম্পত্তি কর বাড়াবেন না। আসলে কানাডার মিসিসাগা প্রদেশে এই সম্পত্তি কর বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত সাধারণ নাগরিকরা। আর এখানেই অন্ধ্রপ্রদেশের মেয়ে দীপিকা বাজিমাত করতে চেয়েছিলেন। বলিউড গানের স্টাইলে ‘দীপিকা ডামেরলা ফর মিসিসাগা মেয়র’ নামে একটি ভিডিও বানিয়ে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন।

মেয়র পদের জন্য নির্বাচনী প্রচারে দীপিকা ডামেরলা, ছবি: সংগৃহীত

‘ক্যায়া হুয়া তেরা ওয়াদা’ – বলিউডের এই বিশ্ববিখ্যাত গানটি নিজের নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহার করেছিলেন দীপিকা। গানের কথা বদলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি মেয়র হলে নাগরিকের সম্পত্তি কর বাড়াবেন না। আসলে কানাডার মিসিসাগা প্রদেশে এই সম্পত্তি কর বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত সাধারণ নাগরিকরা। আর এখানেই অন্ধ্রপ্রদেশের মেয়ে দীপিকা বাজিমাত করতে চেয়েছিলেন। বলিউড গানের স্টাইলে ‘দীপিকা ডামেরলা ফর মিসিসাগা মেয়র’ নামে একটি ভিডিও বানিয়ে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন। তা ভাইরালও হয়। কিন্তু সকলে যে ভালোভাবে তা গ্রহণ করেছেন, তা নয়। কেউ কেউ দীপিকার ওই ভিডিও দেখে হাসাহাসিও করেছেন।

এরপরই নিজের সিদ্ধান্ত বদলে ফেললেন মিসিসাগার এই মেয়র পদপ্রার্থী। এই মুহূর্তে মিসিসাগা শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। এক্স হ্যান্ডেল পোস্টে দীপিকা জানান, ‘জানি, আমার এই প্রচার কৌশল অনেকের পছন্দ হয়নি। হাসাহাসি করেছেন তাঁরা। কেউ কেউ ব্যক্তিগত আক্রমণও করেছেন। সমালোচনা গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু কারও কারও মন্তব্য ঘৃণামূলক, বিদ্বেষমূলক। একটা পরিবারের পক্ষে তা হজম করা সম্ভব নয়। বিশেষত আমি ভিডিওটি বানিয়েছিলাম সকলের কাছে আমার বার্তা পৌঁছে দিতে, মানুষকে আশ্বাস দিতে। কিন্তু সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি। তাই তা মুছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।’ তবে কি প্রচারই বন্ধ করে দেবেন দীপিকা? সে উত্তর জানা নেই।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language