Hashtagintro

অঙ্গনওয়াড়িতে শিশু ও প্রসূতিদের মেয়াদ উত্তীর্ণ ছাতু! বিক্ষোভের মুখে কী সাফাই কর্মীদের?

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে শিশু ও প্রসূতিদের দেওয়া হচ্ছে মেয়াদ উত্তীর্ণ ছাতু! এমন অভিযোগ ঘিরে তুমুল উত্তেজনা পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার (Kanksa) ত্রিলোকচন্দ্রপুরে। অভিযোগ, শুধু একদিন নয়, দিনের পর দিন এইভাবেই  মেয়াদ উত্তীর্ণ ছাতু দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, মেয়াদ উত্তীর্ণ ছাতু খেয়ে কোনও বিপদ ঘটলে তার দায় কে নিত? যদিও এই ঘটনায় তাঁর কোনও দায় নেই বলেই দাবি অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা।

কাঁকসার ত্রিলোকচন্দ্রপুরে রয়েছে একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। এলাকার শিশু প্রসূতিরা সেখানে যান। অভিযোগ, সম্প্রতি স্থানীয়রা দেখেন, অঙ্গনওয়াড়ি থেকে যে ছাতুর প্যাকেট দেওয়া হচ্ছে সেগুলো সবই মেয়াদ উত্তীর্ণ। কোনওটির মেয়াদ শেষ হয়েছে জুলাইয়ে, কোনওটি আগস্টে, আবার কোনওটি সেপ্টেম্বরে। স্থানীয়দের কথায়, বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই ছাতু গুলিয়ে খাইয়েই বাড়ি পাঠানো হয়। প্রসূতিদের হাতে প্যাকেট দেওয়া হয়। ফলে ধরেই নেওয়া হচ্ছে, বাচ্চাদের যে ছাতু দেওয়া হয়েছে সেগুলোও মেয়াদ উত্তীর্ণ। স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদিএর জেরে শিশু কিংবা গর্ভবতী মহিলারা অসুস্থ হলে তার দায় কে নিত?

বিষয়টি সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মহিলারা ও অভিভাবকরা। তাঁদের হাতে দেখা যায় মেয়াদ উত্তীর্ণ ছাতুর প্যাকেট। খাবারের প্যাকেটের গায়ে থাকা তারিখ দেখিয়ে তাঁদের প্রশ্ন, শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের জন্য বরাদ্দ খাবারের মেয়াদ পর্যন্ত কেন যাচাই করা হল না? অভিভাবক রিম্পা ধীবর অভিযোগ করেন, “মেয়াদ উত্তীর্ণ ছাতু দেওয়া হয়েছে। বাচ্চাদের দেখভালও করে না ওরা। পরিসেবা একেবারেই তলানিতে।” রাঁধুনি কুমকুম চক্রবর্তীর কথায়,  “এইসব খাবার আমি দিই না। আমাদের দিদিমণি দেয়। এর পিছনে আমার কোনও হাত নেই।”

Source: Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Bengal & Politics (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language