বাড়ির সামনে জলের পাইপলাইন বসানোকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদ। আর সেই বিবাদ থামাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক মহিলা। অভিযোগ, বচসার চলাকালীন ওই মহিলার পেটে লাথি মারেন এক যুবক। এরপরই রক্তপাত শুরু হয়। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা গর্ভপাতের কথা জানান বলে দাবি পরিবারের। সাঁকরাইলের মাঝেরপাড়া এলাকার ঘটনা।
পরিবার সূত্রে খবর, বাড়ির সামনে জলের পাইপলাইন বসানো নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই প্রতিবেশীদের সঙ্গে বচসা চলছিল। বুধবার রাতে ফের একই বিষয় নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন ওই অন্তঃসত্ত্বা মহিলা। অভিযোগ, সেই সময় প্রতিবেশী ফারহান মোল্লা তাঁর পেটে লাথি মারেন। ঘটনায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ওই মহিলা। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর রক্তপাত শুরু হয়। মহিলার স্বামী রমত মল্লিকের অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী দু’মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। প্রায় ১০ বছর পর তাঁদের সন্তান আসার কথা ছিল। কিন্তু এই ঘটনার পর তাঁকে দ্রুত হাওড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের দাবি, সেখানে চিকিৎসকেরা জানান, গর্ভপাত হয়ে গিয়েছে।
ঘটনার পর সাঁকরাইল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত ফারহান মোল্লা সহ আজগর মোল্লা ও সুরজ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে সাঁকরাইল থানার পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
