নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের শর্তসাপেক্ষ জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করল কলকাতা হাই কোর্ট। আগামী ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর জামিনের মেয়াদ বহাল রাখার নির্দেশ দেন বিচারপতি পার্থপ্রতিম রায়। নবমীর দিন আদালতের নির্দেশের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে।
আপাতত ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত মিলন প্রধানের শর্তসাপেক্ষ জামিন বহাল থাকছে। মিলন প্রধানের হয়ে হাইকোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী অজিতেশ পাণ্ডে ও জুবের রউফ। আপাতত ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত আইনি স্বস্তি পেলেন নন্দীগ্রামের ওই কংগ্রেস নেতা। আদালতের নির্দেশ ঘোষণার পর কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর জানান, বিচারবিভাগের উপর আস্থা রেখেই কংগ্রেস লড়াই করবে।
নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা দে প্রধান তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পরেই কংগ্রেসকে সমর্থন জানায় মমতার দল। তার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জামিন চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দারস্থ হয়েছিলেন তিনি। মোট ছ’টি মামলায় আদালত তাঁকে তিন সপ্তাহের জন্য অন্তর্বর্তী জামিন দেয়। বলা হয়, নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মিলনকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। হাই কোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপই করেনি শীর্ষ আদালত। মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন বহালই ছিল। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারকে হাই কোর্টে ফিরতে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, উপনির্বাচন প্রক্রিয়ার পর ২১ অক্টোবর মিলনকে হলদিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হত মিলনকে। তবে হাই কোর্টের রায়ে আপাতত স্বস্তি।
