এমনিতে তিনি ছিলেন সুপারস্টার। দেশের অন্যতম সেরা অভিনেতা। দিনভর কাটত ব্যস্ততায়। কিন্তু শত ব্যস্ততার মাঝেও একটা জিনিস মিস করতেন না। সেটা হল ক্রিকেট। আর পাঁচজন ভারতীয়র মতোই নানা পাটেকর ছিল আদ্যন্ত ক্রিকেটপ্রেমী। শুধু নিয়মিত খেলার খবর রাখা নয়, ভারতের খেলা থাকলে নাওয়াখাওয়া ভুলে চোখ রাখতেন টিভির পর্দায়। এ হেন অভিনেতার প্রয়াণে স্বাভাবিকভাবেই শোকবিহ্বল ক্রীড়ামহল।
বিরাট কোহলির খেলা বড় ভালোবাসতেন নানা। কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “বিরাট এমন একজন ক্রিকেটার, যাকে আমি খুব পছন্দ করি। যখন বিরাট দ্রুত আউট হয়ে যায়, তাহলে আমার আর খাবার খেতে ইচ্ছে করে না।” ওই মন্তব্যেই বোঝা যায়, নানা কতটা ক্রিকেট পছন্দ করতেন।
বর্ষীয়ান অভিনেতার প্রয়াণে স্বভাবতই শোকস্তব্ধ বিরাট কোহলি। তিনি সোশাল মিডিয়ায় এক বার্তায় লিখেছেন, “ভারতীয় সিনেমা জগৎ আজ সত্যি এক কিংবদন্তিকে হারাল। নানা পাটেকর সাব, আপনার কাজ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। ওম শান্তি!” টিম ইন্ডিয়ার আরেক ক্রিকেটার অজিঙ্ক রাহানে বলছেন, “নানা পাটেকরজি এক অসাধারণ অভিনেতা ছিলেন, যাঁর কাজ অনেক প্রজন্মকে বিনোদন দিয়েছে ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তাঁর প্রয়াণের খবরে আমি গভীরভাবে শোকাহত।”
স্বয়ং ক্রিকেট ঈশ্বর কিংবদন্তি অভিনেতার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ। তিনি বলছেন, “নানা পাটেকর বড় সাধাসিধা, মাটির মানুষ। ওর কাজের মধ্যেও সততা ছিল। মারাঠা হোক বা হিন্দি, যে কোনও চরিত্রকে অন্য মাত্রা দিতেন তিনি।” নানার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন যুবরাজ সিংও। তিনি সোশাল মিডিয়ায় লিখলেন, “আমার দেখা অন্যতম সেরা অভিনেতা। ভারতীয় সিনেমা সত্যিকারের কিংবদন্তিকে হারাল। বহু সিনেমায় ওর কণ্ঠস্বর আমাকে মুগ্ধ করেছে। শুধু ওর উপস্থিতি, অবিস্বরণীয় পারফরম্যান্স ভোলার নয়।” শিখর ধাওয়ান বলছেন, “নানা পাটেকর সাব আপনার অভিনয় আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম অনুপ্রেরণা দেবে।”
