ছাব্বিশের নির্বাচনে তৃণমূলকে হারানো উদ্দেশ্য ছিল। তাই বিজেপি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে সাহায্য করেছিল। উপনির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই। তাই এই রকম পরিণতি! রেজিনগর উপনির্বাচনে হুমায়ুন কবীরকে গ্রেপ্তারি ও বুথে নির্বাচনী এজেন্ট বসতে না দেওয়া নিয়ে কার্যত হুয়ায়ুনকেই বিঁধলেন ঋত তৃণমূলের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখ।
মঙ্গলবার সকালে হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সকাল থেকেই হুমায়ুন পুলিশকে আক্রমণ করছিলেন। রেজিনগরবাসীকে ‘মুগুর নিয়ে রুখে’ দাঁড়ানোর কথা বলেন। ভোট দিয়ে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে কুকথা বলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে ভোটারদের উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বুথের বাইরে দাঁড়িয়ে ও পরে দলীয় কার্যালয় থেকে ফের পুলিশকে তোপ দাগেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। এরপরই তাঁর কার্যালয়ের সামনে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। সেখানেও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। বলেন, “দালালি করবেন না।” এরপরই তাঁকে প্রথমে থানায় আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এই প্রসঙ্গেই গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস তথা ঋতব্রত পন্থী তৃণমূল শিবিরের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখ। তিনি বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনে হুমায়ুন কবীরের উদ্দেশ্য ছিল তৃণমূলকে হারানো। তখন বিজেপি সহযোগিতা করেছিল। দিয়েছিল কেন্দ্রবাহিনী। আজ বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছে তাই এরকম পরিণতি। অনেক বুথে ঘুরে দেখলাম আমার এজেন্ট বের করে দিয়েছে। সেইসব বুথগুলোতে একমাত্র বিজেপি এজেন্ট আছে। আর অন্য কোনও দলেরই এজেন্ট নেই। কিছু বুথে আমার এজেন্ট আছে।”
