এখন ভারত মানেই ‘আত্মনির্ভর’। চিকিৎসা থেকে প্রতিরক্ষা, শিল্প-বাণিজ্য থেকে বিলাসবহুল সামগ্রী, কিছুর জন্য আর ভিনদেশের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হয় না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারত আজ এভাবেই নিজের পায়ের নিচে জমি শক্ত করেছে, হয়ে উঠেছে আত্মনির্ভর। সেই সশক্তিতে আরও বলীয়ান হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে দেশ। তাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের পাইলট স্মিত মচ্ছর, যে নাম এখন গোটা বিশ্বে চর্চিত। উড়ান শিল্পে ভারতকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে সেই স্মিতকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বুধবার প্রশাসক মোদির ২৫ বছর উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি বললেন, ‘‘আজ ভারতের পাইলটকে নিয়ে চর্চা হচ্ছে, কাল মেড ইন ইন্ডিয়া বিমান নিয়ে কথা হবে। নতুন গতিতে, আরও বড় লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে।”
বুধবার প্রশাসক হিসেবে নিজের ২৫ বছর পূর্তিতে সেই স্মিতের কথা টেনেই আরও বড় স্বপ্ন দেখালেন মোদি। বললেন, ‘‘আজ ভারতীয় পাইলটকে নিয়ে আলোচনা করছে সবাই, এবার ভারতের তৈরি বিমান অর্থাৎ মেড ইন ইন্ডিয়া বিমান নিয়ে কথা বলবে।নতুন গতিতে, আরও বড় লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে।”
ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের সাহসিকতার নিদর্শন নিয়ে এই মুহূর্তে আলোচনায় সরগরম গোটা বিশ্ব। মাঝ আকাশে সহ-পাইলটের জঙ্গি হামলার মুখে ক্ষতবিক্ষত হয়েও কীভাবে শ খানেক যাত্রীকে বাঁচিয়েছেন, সেই কাহিনি এখন মুখে মুখে ফিরছে। তাঁর এত বড় অবদানের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাষ্ট্রনেতারা। মাথায়, ঘাড়ে গুরুতর আঘাত নিয়ে এই মুহূর্তে আবু ধাবির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্মিত। তাঁর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলার সময়েই মোদির মন্তব্য ছিল, ‘‘আপনি বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয় প্রাণ কাড়ে না, প্রাণ ফিরিয়ে দেয়।” বুধবার প্রশাসক হিসেবে নিজের ২৫ বছর পূর্তিতে সেই স্মিতের কথা টেনেই আরও বড় স্বপ্ন দেখালেন মোদি। বললেন, ‘‘আজ ভারতীয় পাইলটকে নিয়ে আলোচনা করছে সবাই, এবার ভারতের তৈরি বিমান অর্থাৎ মেড ইন ইন্ডিয়া বিমান নিয়ে কথা বলবে।”
২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার পর নরেন্দ্র মোদির ‘আত্মনির্ভর ভারতে’র স্বপ্ন পূরণ হয়েছে অনেকটাই। গত ১২ বছরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈদেশিক নির্ভরতা কমেছে। এর সবচেয়ে বড় সাফল্য করোনা মহামারীর ভ্যাকসিন তৈরি। এছাড়া প্রতিরক্ষা খাতে অর্থাৎ বিভিন্ন সমরাস্ত্র তৈরিতে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে ভারত। এই সবই সম্ভব হয়ে নরেন্দ্র মোদির নিবিড় প্রচেষ্টা আর পরিশ্রমে। এবার তাঁর লক্ষ্য, মেড ইন ইন্ডিয়া মডেলকে অনুসরণ করে নিজস্ব বিমান তৈরি। দেশকে আরও বেশিদিন নেতৃত্ব দিতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী সেই লক্ষ্যের কথা প্রকাশ করলেন।
