থামার নাম নেই, বরং আরও ভয়াবহ আকার নিচ্ছে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ। এবার ইউক্রেনে সুমি অঞ্চলে ভয়ংকর ড্রোন হামলা চালাল রাশিয়া। এই হামলায় ভারতীয় শিল্পপতির এক ওষুধ কারখানা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। হামলায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও অনেকে। হামলার একাধিক ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে গোটা এলাকা। গুঁড়িয়ে গিয়েছে কুসুম নামে ভারতীয় সংস্থার ওই কারখানা।
১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত কুসুম শিল্পগোষ্ঠী ইউক্রেনে ভারতের ওষুধ সরবরাহ শুরু করে। ২০০২ সালে অন্যান্য সংস্থার পণ্য পরিবহণের পরিবর্তে নিজেদের পণ্য বিক্রি শুরু করে তারা। উৎপাদনে জোর দেয় সংস্থাটি। ২০০৭ সালে ভারতে ও ২০০৯ সালে ইউক্রেনের সুমিতে নিজেদের ওষুধ কারখানা খোলে কুসুম। ভারতীয় শিল্পপতি রাজীব গুপ্তা এই সংস্থার প্রধান। বর্তমানে ৫০টির কাছাকাছি ওষুধ তৈরি করে এই সংস্থা। ইউক্রেন ছাড়াও উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, ফিলিপিন্স-সহ ৯টি দেশে ওষুধ বিক্রি করে কুসুম।
২০২২ সালে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর হওয়ার পরও এই প্ল্যান্ট বহাল তবিয়তে চলছিল ইউক্রেনে। তবে রবিবার রুশ হামলায় কারখানাটি প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
জানা যাচ্ছে, ২০২২ সালে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর হওয়ার পরও এই প্ল্যান্ট বহাল তবিয়তে চলছিল ইউক্রেনে। তবে রবিবার রুশ হামলায় কারখানাটি প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। হামলার জেরে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন প্রশাসন। পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরও অনেকে। হামলার জেরে সংস্থার কারখানা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন শূন্যে নেমেছে।
এদিকে সময় যত গড়াচ্ছে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ আরও ভয়াবহ আকার নিতে শুরু করেছে।মস্কো প্রতিদিন ইউক্রেনে কয়েক ডজন দ্রুতগামী এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচের জেট-চালিত শাহেদ ড্রোন দিয়ে হামলা চালাচ্ছে। এই ড্রোন সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা বিভাগ। পাল্টা ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ভলোদিমির জেলেনস্কির দেশও। রাশিয়াকে ‘শিক্ষা দিতে’ এই সপ্তাহেই ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের কথা জানিয়েছে ইউক্রেন।
