Hashtagintro

ইউনুসের ‘পাপ’! রোগের জোড়াফলায় ধ্বস্ত বাংলাদেশ, ডেঙ্গুতে মৃত ২৮৯ ও হামের বলি ১১৪০

ডেঙ্গু-হামের জোড়ফলায় বিধ্বস্ত বাংলাদেশে! পদ্মপাড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল প্রাণ হারান ১০ জন। যা ছিল চলতি বছর একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। সব মিলিয়ে এ বছর দেশটিতে ডেঙ্গুতে মোট ২৮৯ জনের মৃত্যু হল। অন্যদিকে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১৪০।

অক্টোবরে প্রতিদিনই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর খবর মিলছে। মাসের প্রথম সপ্তাহেই ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ একইসঙ্গে ডেঙ্গু ও হামের নজিরবিহীন জোড়া প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি। যা দেশটির সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। হাসপাতালগুলিতে শয্যাসংকট তৈরি হয়েছে। দুই রোগে আক্রান্ত রোগীর উপচে পড়া ভিড়ের কারণে চিকিৎসকেরা স্বাভাবিক সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে জানানো হয়েছে— হামে দু’জন ও উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে হামে মোট ১ হাজার ৩৯০ জন আক্রান্ত হয়েছে। এই নিয়ে চলতি বছর হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৩৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৭৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৭০ হাজার ৪৭৩ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

প্রসঙ্গত, মহম্মদ ইউনুসের শাসনকালে উপেক্ষিত ছিল হামের টিকা আমদানি। অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা আর্থিকভাবে লাভবান হতে ইউনিসেফের বদলে অজানা প্রতিষ্ঠান থেকে হামের টিকা আমদানি করে। এই টিকা হাম প্রতিরোধে আদৌ কাজ করেনি। এছাড়াও দেশের সিংহভাগ শিশুকে হাম প্রতিরোধী টিকা দেওয়া যায়নি। ফলস্বরূপ অসংখ্য শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছে। হামের জোরালে আঘাতের মাঝেই বর্ষার মরসুমে আগ্রাসী হানা দিয়েছে ডেঙ্গু। প্রতিদিনই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ‌ভর্তি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, ইউনুসের পাপের ফল ভুগছে দেশ।

এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৯২ হাজার ২১৬ জন। আজ থেকে বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গুতে। এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় রাজধানী ঢাকা-সহ সারা দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত শয্যা, ডায়াগনস্টিক কিট, ওষুধ এবং স্যালাইন সরবরাহ নিশ্চিত করেছে তারেক রহমানের সরকার।

এদিকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গিলান দেশে চলমান হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। আজ বুধবার সকালে ঢাকার বনানীর কড়াইলের টি অ্যান্ড টি মাঠে এই কর্মসূচি তিনি পরিদর্শন করেন। মার্কিন মিশনের মুখপাত্র পূর্ণিমা রাই জানান, পরিদর্শনের সময় ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মহম্মদ আবদুল মুহিত, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, প্রধান স্বাস্থ্য আধিকারিক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language