নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনে চলছে ভোটগণনা (Nandigram – Rejinagar By Election Result)। স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। কমিশনের অনুমতিপত্র ছাড়া সেখানে প্রবেশের অনুমতি নেই কারও। পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হতেই দেখা যাচ্ছে দুই কেন্দ্রেই এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। শুরুতেই বাকিদের অনেকটা পিছনে ফেলে দিয়েছেন হাসিরানি রথ ও শাখারভ সরকার। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রেজিনগরে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী এগিয়ে ৯ হাজারের বেশি ভোটে।

বাংলার রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম আসনটি অত্যন্ত তাৎপর্য। চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনে ওই আসনে জিতেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তিনি ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম দুটো আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ফলে নিয়ম মেনে একটি ছাড়তেই হত। শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেওয়ায় সেই আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। অন্যদিকে রেজিনগর ও নওদা, দুটো আসনেই জিতেছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। তাঁকেও নিয়ম মেনে একটি আসন ছাড়তে হয়, তাই উপনির্বাচন হয় রেজিনগরেও। ভোটের দিনেই মোটের উপর স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল, নন্দীগ্রাম তো ছিলই, এবার রেজিনগরেও ফুটবে পদ্ম। ভোট শেষের আগেই হতাশ হয়ে ভোট কেন্দ্র ছেড়ে ছিলেন হুমায়ুনের প্রার্থী। গণনার সকালেও গণনাকেন্দ্রে দেখা গেল না তাঁদের।
পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরুর ১ ঘণ্টা পর যে ফল প্রকাশ্যে এসেছে তাতে জানা যাচ্ছে, নন্দীগ্রামে হাসিরানি রথ ১ হাজার বেশি ভোট পেয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান পেয়েছেন মাত্র ১৮ টি ভোট। মাত্রটি ৮ টি ভোট পেয়েছেন ঋতব্রত তৃণমূল। আইএসএফ পেয়েছে ৭ টি ভোট। বামেদের ঝুলিতে মাত্র ৩ টি। এদিকে রেজিনগরে শাখারভ সরকার পেয়েছেন ১০৩৩ টি ভোট। দ্বিতীয়স্থানে মমতা তৃণমূল। তাঁরা ১০৯ টি ভোট। কংগ্রেস পেয়েছে ৯৩ টি ভোট। হুমায়ুনের দল অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। তাঁদের ঝুলিতে ৬৫ টি ভোট। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রেজিনগরে ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী এগিয়ে ৯ হাজারের বেশি ভোটে। অর্থাৎ ঝড়ের গতিতে ব্যবধান বাড়াচ্ছেন দুই বিজেপি প্রার্থী।
