Hashtagintro

‘ঋতুস্রাবকালীন বিজয় আমার পেটে…’, নারীবিদ্বেষী, ‘দক্ষিণী অ্যানিম্যাল’ কটাক্ষের মাঝেই স্বামীর ‘ঢাল’ রশ্মিকা

যুগলে ‘কফি উইথ করণ’ শোয়ে যোগ দেওয়ার পর থেকেই চর্চায় রস্মিকা মন্দানা, বিজয় দেবেরাকোন্ডা। তবে করণ জোহরের ‘গুগলি’র মুখে সেলেব দম্পতির খুনসুটি, রোম্যান্স নিয়ে যত না চর্চা, তার থেকেও বেশি কটাক্ষ, সমালোচনার ঝড়! বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে দক্ষিণী সুপারস্টারের মন্তব্য মোটেই ভালো ঠেকেনি দর্শকমহলের সিংহভাগের। তাঁদের দাবি, প্রকাশ্যেই রশ্মিকা মন্দানাকে ‘ছোট’ করেছেন তিনি। সেকারণেই গতদিন দুয়েক ধরে সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে অভিনেতাকে। কেউ ‘নারীবিদ্বেষী’ তকমা সেঁটে রণবীর কাপুরের সঙ্গে তুলনা টেনেছেন তো কেউ বা রশ্মিকার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন। এমন বিতর্কের আবহে স্বামী বিজয় দেবেরাকোন্ডার ‘ঢাল’ হয়ে দাঁড়ালেন রশ্মিকা মন্দানা।

“বাড়িতে যদিও কখনও ঋতুস্রাব বা পিরিয়ডস নিয়ে আমাদের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা হয়নি, তবুও আমার শারীরিক যন্ত্রণার বিষয়টা বিজয় খুব ভালোভাবেই বোঝে। আমি কখন, কী অনুভব করছি?…” 

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ঋতুস্রাবকালীন নানা সমস্যা, যন্ত্রণা নিয়ে কথা বলছিলেন রশ্মিকা। সেখানেই তিনি জানান, পিরিয়ডস চলাকালীন কীভাবে তাঁর সেবা করেন স্বামী বিজয় দেবেরাকোন্ডা? দক্ষিণী সুপারস্টার দম্পতির দাম্পত্যের বয়স মোটে দশ মাস। আর এই ক’মাসে স্ত্রীর ঋতুস্রাবকালীন যন্ত্রণা বুঝতে পেরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা। রশ্মিকা জানান, “বাড়িতে যদিও কখনও ঋতুস্রাব বা পিরিয়ডস নিয়ে আমাদের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা হয়নি, তবুও আমার শারীরিক যন্ত্রণার বিষয়টা বিজয় খুব ভালোভাবেই বোঝে। আমি কখন, কী অনুভব করছি? কেনই বা যন্ত্রণা হচ্ছে? সেটা ও সহজেই বুঝতে পারে। তাছাড়া আমি নিজের মনের কথা খোলাখুলি বলতে পছন্দ করি। যদি কোনও কারণ ছাড়াই আমার মন খারাপ থাকে, তাহলে আমি ওঁকে বলি- ‘দেখো, কয়েক দিনের মধ্যেই আমার পিরিয়ডস শুরু হবে, এই সময়ে আমার তোমাকে পাশে প্রয়োজন।’ আমি আগেই বিজয়কে বিষয়টি জানিয়ে রাখি। একজন পুরুষের থেকে আর বেশি কিছু তো আর আশা করা যায় না! ওঁরা তো আর জরায়ুটা শরীর থেকে বের করে নিতে পারবে না! তবে বিজয় যে পাশে আছেন, এই ভাবনাটাই আমাকে অনেক স্বস্তি দেয়। ও আমার পেটে হাত বুলিয়ে দেয়, হাত-পা টিপে দেয়। কারণ বিজয় মনে করেন, ‘আমি তো এটুকুই করতে পারি’।”

Rashmika Mandanna and Vijay Deverakonda’s fan-designated 'buddymoon' new trend for couple
 বিজয়-রশ্মিকা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

কিন্তু ‘কফি উইথ করণ’-এ যাওয়ার পর থেকে কেন বেধড়ক ট্রোলড হচ্ছেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা? আসলে এই শোয়ে এসেই রশ্মিকা জানিয়েছেন, গোটা একবছর বিয়ের জন্য বিজয়কে সাধতে হয়েছে। স্ত্রীর মুখে এহেন কথা শুনে তাচ্ছিল্যের সুরে বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে বলতে শোনা যায়, “আমি তো আর খারাপ মানুষ নই। আমি চাইনি রশ্মিকার প্রপোজাল মোন্টেন্ট হাতছাড়া হোক।” নেটিজেনরা বিজয়ের এই কথা বলার ধরনকে একেবারেই ভালোভাবে নেননি। তাঁদের মতে, বিজয় রশ্মিকাকে ছোট করেছেন। তবে বিজয় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে জানান, তিনি রশ্মিকাকে অবজ্ঞা করতে চাননি। তাঁর কাছে বিয়েটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

Source: Sangbad Pratidin Entertainment (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Entertainment (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language