কথায় বলে একটা জিনিসের ভালো দিক যেমন থাকে তেমনই থাকে খারাপ দিকও। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ক্ষেত্রেও ঠিক এই কথাটাই প্রযোজ্য, তা বললে অত্যুক্তি হবে না। প্রায় প্রতিদিনই এআইয়ের ব্যবহারে রূপোলি দুনিয়ার তারকাদের ছবি বিকৃতির অভিযোগ উঠছে। নষ্ট হচ্ছে ভাবমূর্তি। সমাজমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়তেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। অভিযোগ, এআইয়ের অপব্যবহারে ব্যক্তিসত্তার অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। বিচারপতি বিকাশ মহাজনের বেঞ্চ এই মামলায় অভিযুক্তদের সমন পাঠিয়েছে। সেই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার জন্য পাঠানো হয়েছে নোটিসও।
শুনানির সময় কঙ্গনার আইনজীবী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফিক ও অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়েছে। এই ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ সাংসদ-অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। দিল্লি হাইকোর্ট কঙ্গনার আইনজীবীর কাছে সেসকল অভিযুক্তদের নাম জানতে চেয়েছে যাঁরা অভিনেত্রীর ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করেছেন। জানা যাচ্ছে, সম্ভাব্য তালিকায় যাঁরা রয়েছেন তাঁদের বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আবেদনের বিষয়ে উপযুক্ত নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। মামলার পরবর্তী শুনানি ২০২৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত হয়েছে।
View this post on Instagram
সাম্প্রতিক সময়ে প্রাক্তন ক্রিকেটার গৌতম গম্ভীর, প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর, আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর, অভিনেতা অর্জুন কাপুর, আল্লু অর্জুন, নাগার্জুনা, বরুণ ধাওয়ান, কাজল, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চন, গায়ক জুবিন, পরিচালক করণ জোহর, পডকাস্টার রাজ শামানি, কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর এবং অভিনেতা নাগা চৈতন্য-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি তাঁদের পরিচয়, অবয়ব বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত ভুয়ো ছবি ব্যবহারের বিরুদ্ধে আদালতের সুরক্ষাকবচ চেয়েছেন। অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লি আদালত।
View this post on Instagram
