Hashtagintro

এবার কালীপুজোর থিমে ১৯১১ মোহনবাগানের শিল্ড জয়! শিহরণ জাগাবে জগদ্দলের এই ক্লাব

১৯১১। ব্রিটিশদের হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিল প্রথম ভারতীয় ক্লাব মোহনবাগান। সেদিনের সেই জয় আজও শিহরণ জাগায় বাঙালির মনে। সেই ইতিহাস আজও স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে। টাইম মেশিনে চেপে ফিরে যেতে চান মোহনবাগানের সেই উজ্জ্বল দিনে? এবার সেই সুযোগ করে দিল গোটবেড়িয়া মিলন সংঘ।

২৮ তম বর্ষে পদার্পণ করল জগদ্দল গোটবেড়িয়া মিলন সংঘের কালীপুজো। এবার তাদের মণ্ডপের থিম-‘মোহনবাগান: দ্য গ্লোরি লাইফ অন’। গোটবেড়িয়া মিলন সংঘের মণ্ডপে পা রাখলেই চোখের সামনে ভেসে উঠবে ১৯১১ সালের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত। মোহনবাগানের শিল্ড ফাইনাল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিভিন্ন দিক অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জায়। ১৯১১ সালে মোহনবাগান প্রথম ভারতীয় ক্লাব হিসেবে ব্রিটিশদের পরাজিত করে আইএফএ শিল্ড জয় করে দেশের ফুটবল ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে নাম লিখিয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক সূচনার পর বহু বছর কেটে গিয়েছে, আর প্রতিটি যুগে মোহনবাগান আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

পুজো উদ্যোক্তাদের কথায়, এটি শুধু একটি সাফল্য নয়, বরং বহু অর্জনের ধারাবাহিকতা। এক ক্লাব সদস্যদের কথায়, মোহনবাগানই বাংলার প্রথম ক্লাব হিসেবে এই গৌরব অর্জন করেছে। মোহনবাগান কেবল ইতিহাস সৃষ্টি করেনি, বরং ভারতীয় ক্লাব ফুটবলের পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছে। এই গৌরবময় যাত্রাই প্রমাণ করে কেন মোহনবাগানকে বলা হয়- ‘ভারতের জাতীয় ক্লাব’।

পুজো উদ্বোধনে এদিন উপস্থিত ছিলেন মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত, ট্রেজারার সন্দীপন বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাক্তন ফুটবলার প্রশান্ত চট্টোপাধ্যায়, প্রতাপ ঘোষ, অভিলাষ পাল ও প্রভাত ঘোষ। ওই অনুষ্ঠান শেষেই সভাপতি দেবাশিস দত্ত বলেন, “মোহনবাগান একটা আন্দোলনের নাম, একটা আবেগের নাম। পুজোতেও মোহনবাগান সর্বক্ষেত্রে আছে।” প্যান্ডেল দেখে অভিভূত তিনি। তাঁর মতে, এই প্যান্ডেল দেখে ১৯১১-র ইতিহাস জানতে পারবে ছোটরা। সবথেকে বড় কথা, স্বাধীনতা আন্দোলনে খেলার কী ভূমিকা ছিল, সেটাও এই প্যান্ডেলে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে দেখে খুশি তিনি। মণ্ডপ দেখতে ইতিমধ্যেই ভিড় জমাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language