ফাঁকা ক্লাসরুম। সেখানে ৪৫ বছর বয়সি শিক্ষকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গেল নাবালিকাকে। হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনাটি কেন্দ্র করে মালদহের (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুর থানার একটি স্কুলে তুমুল উত্তেজনা। পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের হাত থেকে উদ্ধার করে নাবালিকাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ইদানীং স্কুল শুরুর অনেক আগেই নাকি ওই শিক্ষক এবং নবম শ্রেণির ছাত্রী চলে আসত। তা নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধে। অভিযোগ, সোমবার সকালে দু’জনে বেশ তাড়াতাড়ি স্কুলে আসে। কিছুক্ষণ পর গ্রামবাসীরা ক্লাসরুমে ঢোকেন। পঁয়তাল্লিশ বছরের শিক্ষকের সঙ্গে পনেরোর ছাত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। হইহই করে ক্লাসে ঢুকে পড়েন সকলে। হাতেনাতে অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় তাদের ধরে ফেলেন স্থানীয়।
শিক্ষাক্ষেত্রে কলুষিত করার অভিযোগে শুরু হয় গণপিটুনি। এই ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে। তাদের বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করা হয়। ওই শিক্ষক এবং নবম শ্রেণির ছাত্রীকে আটক করে পুলিশ। থানায় নিয়ে যাওয়া হয় তাদের। পরে অবশ্য নাবালিকাকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ক্লাসরুমে যৌনতার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষক। তাঁর দাবি, কম্পিউটার শেখার জন্য ছাত্রীকে স্কুলে ডেকেছিলেন। অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল না তাঁর। স্থানীয়রা অযথা মিথ্যা কথা বলেছেন বলেই জানান ওই শিক্ষক।
