মা হওয়ার পর ওজন বৃদ্ধির জন্য ক্যাটরিনা কাইফের শরীরী গড়ন নিয়ে কাটাছেঁড়ার অন্ত নেই! সাম্প্রতিক সময়ে নেটভুবনে চর্চার কেন্দ্রে ‘চিকনি চামেলি’, তা বললে অত্যুক্তি হবে না। ক্যাটরিনার ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির সতীর্থরা। নিজের বিউটি ব্র্যান্ডের বর্ষপূর্তিতে নিন্দুকদের ‘সবক’ শেখালেন নতুন মা ক্যাটরিনা। তাঁর মতে, সোশাল মিডিয়ার নেতিবাচক মন্তব্যে কখনই প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়। আত্মবিশ্বাসী ক্যাটরিনার ‘পিঠ চাপড়েছে’ অনুরাগীমহল। লন্ডনের রাস্তায় ক্যাটরিনার সঙ্গে ছবি তুলে এবার কটাক্ষের শিকার ভিকি কৌশল।
গাল ভর্তি দাড়ি, মাথায় টুপিতে ভিকি যেন পাশের বাড়ির ছেলে! সাদামাটা লুক দেখেই নেটভুবনের প্রশ্ন, চেহারা নিয়ে সমালোচনা হলে শুধু ক্যাটরিনা কেন? লন্ডনের রাস্তায় এক ভক্তের আবদারে তাঁর সঙ্গে পোজ দিয়েছেন তারকা দম্পতি। ভিক্যাটের সঙ্গে তোলা ছবি সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই সকলের নজর কেড়েছে ভিকির বদলে যাওয়া চেহারা। এক গাল দাড়ি, চোখে চশমা আর মাথায় টুপি-এই লুকে অভিনেতাকে দেখে তাজ্জব নেটাগরিকরা। তাঁর এই চেহারা দেখে অনেকেরই মনেই প্রশ্ন জেগেছে, আসন্ন ছবি ‘মহাবতার’-এর লুক?
কারও মতে, চেহারা নিয়ে সমালোচনার ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি অনেক সময় আলাদা হয়। ক্যাটরিনার বদলে যাওয়া শারীরিক গঠন নিয়ে যদি এত আলোচনা হয় তাহলে ভিকির চেহারা নিয়ে কেন হবে না? তারকাজুটির একটি ফ্যান পেজ থেকে এক্স হ্যান্ডলে অনুরাগীর সঙ্গে ভিক্যাটের ছবিটি শেয়ার করা হয়। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, লন্ডনের রাস্তায় ভক্তের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ভিকি, ক্যাটরিনা। অভিনেত্রীর পরনে ধূসর রঙের ঢিলেঢালা জ্যাকেট ও সাদা শার্ট। চুল বাঁধা আর সঙ্গে হালকা মেকআপ। আর ভিকি পরেছিলেন ধূসর রঙের সোয়েটশার্ট, টুপি আর চশমা। গাল ভর্তি দাড়ির জন্য ভিকির লুক আমূল বদলে গিয়েছে তা বলাই বাহুল্য।

অভিনেতার ভোলবদল নিয়ে রেডিট ব্যবহারকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একজন মজা করে লিখেছেন, ‘ভিকি শেভ করার জিনিসপত্র আনতে ভুলে গিয়েছেন নাকি?’ অন্য একজনের মতে, ‘পরিচালক সুজিত সরকারের মতো দেখতে লাগছে।’ আবার অনেকেই অভিনেতার চেহারা নিয়েও কটাক্ষ করেছেন। তবে অনেকেই ভিকি ও ক্যাটরিনার ক্ষেত্রে মানুষের প্রতিক্রিয়ার দ্বিচারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
Katrina Vicky with a fan in London
by u/DragonDeninSharkTank in BollyBlindsNGossip
এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এবার কিন্তু ভিকির চেহারা নিয়ে কেউ ট্রোল করবে না। এসব শুধু তাঁর স্ত্রীর জন্যই তুলে রাখা হয়েছে!’ অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, সন্তানের জন্মের পরই মেয়েদের থেকে দ্রুত রোগা হয়ে ওঠার প্রত্যাশা করা হয়। অথচ পুরুষদের এই ধরনের কোনও চাপ দেখা যায় না।
