প্রতি মুহূর্তেই নিজেকে বদলাচ্ছে চ্যাটজিপিটি। ইতিমধ্যেই তারা চালু করেছে ‘মেমরি আর্কিটেকচার’। যার ফলে চ্যাটজিপিটি আপনার সঙ্গে কথোপকথন শেষ হয়ে যাওয়ার অনেক পরেও তা মনে রাখবে। কিন্তু চ্যাটবটের সঙ্গে হওয়া কথোপকথনের গোপনীয়তা যদি লঙ্ঘিত হয়? এবার আর ভাবনা নেই। চ্যাটজিপিটিতে হওয়া সব কথোপকথন থেকে যাবে ‘লকড পিন’-এর ওপারে। অর্থাৎ চাইলেই অবাঞ্ছিত কেউ উঁকি দিতে পারবে না সেখানে।
জানা যাচ্ছে, এবার ইউজাররা চার সংখ্যার পিন অথবা ফেস আইডি কিংবা টাচ আইডি ব্যবহার করে অনায়াসেই লক করে রাখতে পারবেন চ্যাটজিপিটির সঙ্গে হওয়া চ্যাট। ফলে কেউ তাঁর স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ খুলে চলে গেলেও আর চিন্তা নেই। অন্য কারও পক্ষে সেই কথোপকথন পড়া সম্ভব হবে না। যেহেতু অনেকেই চ্যাটজিপিটির সঙ্গে সংবেদনশীল কথোপকথন শেয়ার করে থাকেন, তাই তা গোপন রাখার অভিপ্রায় সব সময়ই থাকে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে চ্যাটজিপিটির এই নয়া লকড পিনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
তবে এক্ষেত্রে সাবধানতা রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলছেন বিশেষজ্ঞরা। কেননা চার ডিজিটের পিন ভুলে গেলে মেমরি থেকে শুরু করে গোপন ফাইল ইত্যাদি হারিয়ে যেতে পারে। তাই পিন অন্য কোথাও লিখে রাখা বা কোনও বিশেষ উপায়ে স্মৃতিতে ধরে রাখার ব্যবস্থা করাই বাঞ্ছনীয়।
উল্লেখ্য, চ্যাটজিপিটির সাহায্যে এমন বহু জরুরি কাজ করানো যায়, যা অনেক সময়ই ইউজাররা খেয়াল করেন না। যেমন চটজলদি উত্তরের খোঁজ না করে, সুশৃঙ্খল গবেষণার কাজে চ্যাটজিপিটিকে ব্যবহার করুন। জটিল বিষয় সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করতে, ‘সোর্স’-এর উল্লেখ (ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে)-সহ তথ্যপ্রদান করায় দক্ষ চ্যাটজিপিটি। শিক্ষাসংক্রান্ত কাজ, প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক আলোচনা ও বিশ্লেষণ করতে এর জুড়ি নেই।
