Hashtagintro

ঘরের মাঠে আজ আইএসএলের প্রথম ম্যাচ মোহনবাগানের, স্ট্রাইকারের অভাব মাথাব্যথা কোচ প্যানোসের

হয়তো শুরুর দু’ম্যাচে ভালো ফল করতে পারেননি। কিন্তু কোচ হিসাবে চেন্নাইয়িন কোচ ক্লিফোর্ড মিরান্ডাকে হালকা ভাবে নিলে ভুল করতে হবে। লিগের শুরুতে এফসি গোয়ার সঙ্গে ড্র করেছেন। পরের ম্যাচে হেরেছেন বেঙ্গালুরু এফসির কাছে। এই মুহূর্তে মহেশ গাওলি, বিবিয়ানো ফার্নান্ডেজ, গৌরমাঙ্গি সিং, রেনেডি সিং, স্টিভেন ডায়াস-সহ যে কয়েকজন ভারতীয় কোচ এদেশে দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন, চেন্নাইয়িন কোচ ক্লিফোর্ড তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ফলে দু’ম্যাচে ১ পয়েন্ট নিয়ে ক্লিফোর্ডের দলের মোহনবাগানের বিরুদ্ধে কলকাতায় খেলতে আসার অর্থ এই নয় যে, মোহনবাগান কোচ দিলেমপেরিসের জন্য ম্যাচটা খুবই সহজ হবে। এই সহজ সত্যটা মোহনবাগান কোচ নিজেও খুব ভালো করে জানেন। 

অসুস্থতার জন্য খেলার মতো জায়গায় নেই আপুইয়া। চোটের জন্য সোমবার চেন্নাইয়িনের বিরুদ্ধে নেই মিগুয়েলও। রবিবার অনুশীলনে এসেও মাঠে নামেননি তিনি। এই দুই ফুটবলার খেলতে না পারলে তা অবশ্যই সমস্যার মোহনবাগানের জন্য। মোহনবাগান কোচের সবচেয়ে চিন্তার কারণ, অস্ট্রেলিয়ান স্ট্রাইকার জেমি ম্যাকলারেনের অনুপস্থিতি। কারণ, এই দলটায় সব আছে। শুধু গোল করার লোক নেই। এদিন অনুশীলনে এলেও অন্য ফুটবলারদের সঙ্গে ম্যাকলারেনকে মাঠে নামাননি দিলেমপেরিস। অনুশীলন চলাকালীন দেখা যায়, মাঠের ধারে একা বিভিন্ন ফিটনেস ট্রেনিং করছেন তিনি। ম্যাকলারেন কি সোমবার মাঠে নামবেন? দিলেমপেরিস জানালেন, সোমবার ম্যাচের আগে ফের একবার তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন। যদি বুঝতে পারেন, ম‌্যাকলারেন খেলার জায়গায় রয়েছেন, তাহলে রিজার্ভে রাখবেন। না হলে বাইরে।

আর এই জায়গাতেই মূল সমস্যা। হাতে অস্ট্রেলিয়ান লিগের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। কিন্তু চোটের জন্য তাঁকে খেলাতে পারছেন না মোহনবাগান কোচ। অথচ প্রথম ম্যাচে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের কাছে হারলেও প্রচুর গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন মোহনবাগান ফুটবলাররা। কিন্তু গোলটা করবেন কে? এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে জিতলেও একাধিক গোল নষ্ট হয়েছে। দীর্ঘদেহী লি এরউইন থাকলেও, স্কটিশ স্ট্রাইকার যে এখনই ম্যাকলারেনের জায়গা নিতে পেরেছেন এরকমটা নয়। রয়েছেন দেজন দ্রাজিচ। গোল করতে পারেন সমির জেলকোভিচও। কিন্তু এঁদের কাউকে দিয়েই ম্যাচের পর ম্যাচ বের করে নেওয়া সম্ভব হবে, এরকমটা নয়। ফলে দিলেমপেরিসের কপাল চিন্তার ভাঁজ পড়াটাই স্বাভাবিক। তার উপর ইস্টবেঙ্গল পরপর দু-ম্যাচে নয় গোল করে বসে আছে।

মোহনবাগান কোচ নিজেও মনে করছেন, অনেক গোল মিস করে ফেলেছে দল। তবে গোলের সুযোগ তৈরি করাটাকেও ইতিবাচক হিসাবেই দেখছেন তিনি। কারণ, সুযোগ তৈরি হলে তবেই গোল আসে। সেটা দিল্লি ম্যাচেও দেখা গিয়েছে। দলের পক্ষে আরও একটা ভালো দিক, চেন্নাইয়িন ম্যাচের আগে নিজেদের তৈরি করার জন্য ১০ দিন সময় পেয়েছেন ফুটবলাররা। দিলেমপেরিস জানালেন, এই সময়টাকে দল দারুণভাবে ব্যবহার করেছে। বিশেষ করে সেট-পিস আক্রমণে। আর সেট-পিস আক্রমণ মানেই যে সব সময় নিজেদের জন্য কাজে লাগবে, এরকমটা নয়। প্রতিপক্ষ দলের সেট-পিস আক্রমণ আটকানোর জন্যও অনুশীলন করতে হয়।

মোহনবাগানের জন্য আরও একটা ভালো দিক হল, এই মরশুমের আইএসএলে এই প্রথম ঘরের মাঠে খেলতে নামছে সবুজ-মেরুন শিবির। মোহনবাগান কোচ মনে করছেন, এটাও দলের জন্য ভীষণই ইতিবাচক দিক। কারণ, নিজেদের সমর্থকদের সামনে খেলতে পারলে, ফুটবলাররা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন।

Source: Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Special (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language