ঘরের মাঠে দুই ম্যাচে দশ গোল!
স্বাভাবিকভাবেই ব্রাজিল ম্যাচে ভালো খেলার পর এখন সমালোচনায় বিদ্ধ হতে হচ্ছে কোচ খালিদ জামিলকে। ব্রাজিল ম্যাচে খারাপ খেলার পরও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে ফের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং সান্ধুকে প্রথম একাদশে খেলানো নিয়েও খালিদের সমানভাবে সমালোচনা চলছে।
যদিও উরুগুয়ের বিরুদ্ধে এই হারের দায় ফুটবলারদের না দিয়ে নিজেই নিচ্ছেন ভারতের কোচ। ম্যাচের পর বিধ্বস্ত হয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে এলেন খালিদ। তবে ফুটবলারদের দোষারোপ করার পথে গেলেন না। নিজেই হারের সব দায় নিলেন। তিনি বলেন, “দুই ম্যাচে এতগুলো গোল খাওয়া কখনওই ভালো দিক নয়। তবে এই হারের জন্য কোনও ফুটবলারকে দোষারোপ করব না। আমারও ভুল ছিল। তাই অন্য কাউকে দোষ দেওয়া উচিত নয়।”
১০ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে আইএসএল। নভেম্বরের ‘ফিফা উইন্ডোয়’ আবার নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে খেলবে ভারত। সেই ম্যাচের আগে প্রস্তুতি শিবির করতে চান খালিদ। কিন্তু আইএসএলের মাঝে কতদিন শিবির করার সুযোগ পাবেন, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে পারে। খালিদ জানিয়ে গেলেন, এই তিন ম্যাচ দেখার পর নিউজিল্যান্ড ম্যাচের আগে দলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে চান। এদিন থাপার গোল প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে খালিদ যোগ করেন, “গোল পেলে তা ধরে রাখতে নব্বই মিনিট লড়াই চালিয়ে যেতে হয়। নিজেদের মাঠে খেললেও আমরা সেই মানসিকতা দেখাতে পারিনি।”
এদিন ম্যাচ শেষে বিমান ধরার তাড়ায় বেশি সময় ব্যয় করতে চায়নি উরুগুয়ে দল। কোনও মতে সাংবাদিক সম্মেলন করে যুবভারতী ছাড়েন নুনেজরা। ম্যাচের পর দলের কোচ দিয়াগো ফোরলান বলে যান, “সাত দিন পর ভালো অনুভূতি নিয়েই দেশে ফিরে যাচ্ছি। জাপানের বিরুদ্ধে আমাদের প্রথম ম্যাচ ছিল। সে দিন গুছিয়ে নিতে একটু সময় লেগেছে। জাপান ম্যাচের আগে খুব বেশি সময় পাইনি। আমার মনে হয় ওই ম্যাচে আমরা হারার মতোও খেলিনি। তারপর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জিতেছি। দল সেই ম্যাচে দারুণ খেলেছে। আর এদিনও জয় এসেছে। তাই খুশি।”
ভারতের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেন, “আমি জানতাম ওরা প্রেসিং ফুটবল খেলবে। ওদের বেশ কয়েকজন ভালো মানের ফুটবলার আছে। ম্যাচের শুরুতে আমাদের পাসিং কিছুটা ধীর গতির ছিল। ভারত সেই সুযোগটাই নিয়েছে। প্রথমার্ধে বেশি গোল না এলেও ফুটবলারদের সতর্ক থাকতে বলেছিলাম। ভারত দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে আসছিল। সেই জন্য টিমকে বলেছিলাম, নিজেদের বক্সে ভুল করেও মিসপাস করা যাবে না। আমরা যদি ভুল করতাম আর ভারত যদি আরও একটা গোল করে ফেলত, তাহলে ম্যাচে ফিরে আসা আমাদের জন্য অনেক কঠিন হয়ে যেত।”
