কথায় আছে, রথ দেখা-কলা বেচা একসঙ্গে। সেই প্রবাদ একটু বদলে নিয়ে বলাই যায়, চুরি করা-কেক খাওয়া একসঙ্গে। সম্প্রতি গড়িয়ার (Garia) ফরতাবাদের একটি বাড়িতে চুরি করতে গিয়ে চোরের দল যা করল, তাতে এই তুলনা চলতে পারে। সেখানে চুরির পাশাপাশি এক আজব কাণ্ড ঘটেছে। চোরের দল গয়না, টাকা তো হাতালই, তার উপর ফ্রিজ খুলে খাবারও খেয়ে নিল! সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে তাদের এই কুকীর্তি। আপাদমস্তক কালো পোশাকে ঢাকা থাকায় এখনও তাদের শনাক্ত করা যায়নি। তদন্তে নেমেছে সোনারপুর থানার পুলিশ।
৫ লাখি নেকলেস খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে সম্ভবত তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল, খিদেও পেয়েছিল হয়ত। তাই ফ্রিজ খুলে খাবারের সন্ধান করছিল। ফ্রিজে ছিল জন্মদিনের একটি কেক। সেই কেকটিই চেটেপুটে খেয়ে ফেলল চোরের দল! চুরি আর খাওয়া – দুটোই হল।
ঘটনাটি দিন দুই আগের। গড়িয়ার ফরতাবাদ এলাকার এক মহিলা সোনার নেকলেস কিনেছিলেন। তা পরে তিনি সোশাল মিডিয়ায় সেই ছবি পোস্ট করেন। ৫ লাখ টাকার সেই নেকলেসটি নজরে পড়েছিল চোরেদের। সেইমতো তা লুটের পরিকল্পনা করে তারা। এক রাতে বাড়ির গ্রিল কেটে ভিতরে ঢোকে ৩ চোর। তাদের পরনে ছিল কালো পোশাক ও কালো মুখোশ। ততক্ষণে অবশ্য বাড়ির কর্ত্রী তাঁর সাধের নেকলেসটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রেখেছিলেন। তাই তা চোরেরা খুঁজে পায়নি। অনেকক্ষণ তল্লাশি করে মাত্র দুটি সোনার পলাবাঁধানো হাতে আসে তাদের। আলমারি থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকাও হাতিয়ে নেয় ৩ চোর।
এরপরই কাহানি মে টুইস্ট! ৫ লাখি নেকলেস খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে সম্ভবত তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল, খিদেও পেয়েছিল হয়ত। তাই ফ্রিজ খুলে খাবারের সন্ধান করছিল। ফ্রিজে ছিল জন্মদিনের একটি কেক। সেই কেকটিই চেটেপুটে খেয়ে ফেলল চোরের দল! চুরি আর খাওয়া – দুটোই হল। ফ্রিজে কেক না পেয়ে অবাক পরিবার তখনও বুঝতে পারেনি যে বাড়িতে চুরি হয়েছে। পরে কেক-চোর খুঁজতে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গোটা ব্যাপারটা স্পষ্ট হয়েছে। খবর দেওয়া হয়েছে সোনারপুর থানায়। শুরু হয়েছে তদন্ত।
