জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র মালদহ। দু’পক্ষের সংঘর্ষে মৃত এক। মৃত যুবকের নাম শিবচরণ মণ্ডল। ঘটনায় আহত আরও চার। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন এসএসবি জওয়ান আছেন বলেও জানা গিয়েছে। আহতদের গুরুতর অবস্থায় মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। কেন এই ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, খুনের ঘটনায় কে বা কারা যুক্ত তাও পুলিশ আধিকারিকরা খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনায় ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৩ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করেছে। তবে মূল অভিযুক্ত সনাতন মণ্ডল ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁর খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের মোথাবাড়ি থানা এলাকার হামিদপুর এলাকায়। হামিদপুরের বাসিন্দা, পেশায় এসএসবি জওয়ান শশাঙ্ক যাদবের অভিযোগ, তাঁদের মোট পৈতৃক ৫০ বিঘা জমি রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে প্রায় ৩০০ বিঘা দেবোত্তর সম্পত্তি। ওই এসএসবি জওয়ানের অভিযোগ, ওই জমির একাংশ দখল হয়ে গিয়েছে। এই বিষয়ে একাধিকবার পুলিশ প্রশাসনে জানিয়েও লাভ হয়নি। জানা যায়, এদিন দুপুরে তিনি বেশ কিছু কৃষককে নিয়ে জমিতে চাষ করতে যান। সেই সময় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁদের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই একেবারে বাঁশ, লাঠি হাতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।
ঘটনায় গুরুতর আহত হন ওই এসএসবি জওয়ান-সহ বেশ কয়েকজন। একেবারে গুরুতর অবস্থায় সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই বছর ৫০ এর শিবচরণ মণ্ডলের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। বাকিদের চিকিৎসা চলছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে। এদিকে ঘটনায় খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনায় ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৩ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করেছে। তবে মূল অভিযুক্ত সনাতন মণ্ডল ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁর খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে মোথাবাড়ি থানার পুলিশ।