বলিউডের তারকা দম্পতি ইয়ামি গৌতম ও আদিত্য ধর, দুজনেরই কেরিয়ারের বৃহস্পতি একেবারে তুঙ্গে। ‘আর্টিকল ৩৭০’-এর জন্য ইয়ামি ও আদিত্যর ঝুলিতে এসেছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অন্যদিকে আদিত্য ধর পরিচালিত ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির দুটি ছবিই বক্স অফিসে তেহেলকা তৈরি করেছিল। কেরিয়ারের মোক্ষম সময় মায়ানগরী ছাড়ছেন আদিত্য, ইয়ামি! ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে এমনই ফিসফাঁস।
মুম্বইয়ের বিলাসবহুল সম্পত্তি ছেড়ে পাহাড়ের কোলে আট কোটি টাকা দিয়ে কেনা দীর্ঘ একশো বছরের পুরনো বাড়িই নাকি হতে চলেছে তারকা দম্পতির স্থায়ী ঠিকানা। অনুষ্কা শর্মার মতো ইয়ামি আর আদিত্যও সিনেদুনিয়া থেকে ‘বাণপ্রস্থ’ ঘোষণা করলেন? জোর চর্চা মায়ানগরীর সিনেপাড়ায়। সূত্রের খবর, ইয়ামি গৌতম ও আদিত্য ধর হিমাচলপ্রদেশেই পাকাপাকিভাবে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেখানেই নাকি এখন অনেকটা সময় কাটাচ্ছেন।
View this post on Instagram
হিমাচলপ্রদেশের সঙ্গে ইয়ামির গভীর সংযোগ। সূত্রের খবর, মান্ডি এলাকার গোহরে ইয়ামির স্বপ্নের বাড়িতেই নতুন করে সংসার সাজাচ্ছেন দম্পতি। আদিত্যর সঙ্গে বিয়ের আগেই পাহাড়ের সঙ্গে মনের গভীর টান ইয়ামির। গোহরে তিনি একশো বছরের পুরোনো একটি ঐতিহ্যবাহী বাড়ি কিনেছিলেন, সেই সঙ্গে পঁচিশ একর জমি। কাঠ ও পাথর দিয়ে তৈরি সেই বাড়িটি ঘিরে রয়েছে সবুজে ঘেরা বাগান। সেখানে আপেল, আলু, আদা চাষ করেন।
এই বাড়িটি তাঁদের কাছে শুধু ছুটি কাটানোর জায়গা নয়। ২০২১ সালে হিমাচলেই সাত পাকের বন্ধনে বাঁধা পড়েছিলেন আদিত্য ও ইয়ামি। তাই দুজনের জীবনেই এই বাড়ির একটা বিশেয়, মাহাত্ম্য রয়েছে তা বলাই বাহুল্য। পেশার খাতিরে মুম্বই ছিল ইয়ামির ঠিকানা। ‘ধুরন্ধর’-এর সাফল্যের পর আদিত্যকে তুলনামূলক কমই জনসমক্ষে দেখা গিয়েছে।
View this post on Instagram
সম্প্রতি গুজরাটে অনুষ্ঠিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। বরাবরই ব্যক্তিগত জীবনকে প্রচারের আড়ালে রেখেছেন তারকা দম্পতি। সত্যিই মুম্বই ছেড়ে হিমাচলের কোলে ইয়ামি, আদিত্য সুখী গৃকোণ গড়ে তুলবেন কিনা তা জানতে কৌতুহলী অনুরাগীমহল।
