Hashtagintro

‘জেলে থেকে বের করব, জমি-বাড়ি দেব’, মতুয়াগড়ে কাদের আশ্বস্ত করলেন শুভেন্দু?

বঙ্গে গেরুয়া পরিবর্তন। রাজ্যের ক্ষমতা হাতে পাওয়ার পর প্রথম মতুয়াগড়ে পা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। গোঁসাইদের সম্মেলনে যোগদান করে মতুয়া ভাইবোনদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে শুভেন্দু মনে করিয়ে দিলেন, মমতার জমানার সঙ্গে সঙ্গেই মতুয়াদের বঞ্চনার দিনও শেষ। বছরের পর বছর ধরে যাঁরা প্রত্যক্ষ লড়াই করে গিয়েছেন, এবার বিজেপি রাজ্যে তাঁদের সুদিন আসতে চলেছে বলেই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। ঠাকুরনগরের বিপুল জনসমাবেশের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ঢালাও প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি, বিরোধীদের হুঙ্কার দিয়ে যান তিনি।

রাজ্যে সিএএ-র পক্ষে সওয়াল করে শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা, “দেশ-রাজ্যকে যারা অস্থির করার চেষ্টা করছে। সেই দিমাগি নকশাল-মাওবাদী-আরশোলা-ছারপোকারা একসঙ্গে মিলেছে, তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব। আমরা সবাই উদবাস্তু হয়েছি একবার। আমার মা উদবাস্তু হয়েছে বরিশালে। শুধু হিন্দু বলে বাংলাদেশ থেকে এক কাপড়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশের মতো যারা আমাদের দেশ-রাজ্যকে অস্থির করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকব।” কেন্দ্র-রাজ্য ঐক্যবদ্ধ থেকে লড়াইয়ের বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আমরা আর উদবাস্তু হব না। মোদিজিকে ছাড়ব না।” গানের পঙতি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীকে ‘সোনার গৌড়’ বলে সম্মোধন করেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “ছেড়ে দিলে সোনার গৌড় আর তো পাব না।”

শুধু তাই নয়, ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে হিন্দুদের উপর অত্যাচারে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ যে আরও তীব্র হবে, তাও এদিন মতুয়াগড়ে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে সমূলে উৎখাত করতে শুভেন্দুর হুঙ্কার দিয়ে যান এদিন। তাঁর বক্তব্য, “বাংলাদেশে পালাবদলের পর অনেক মতুয়া সহ হিন্দুদের উপর অত্যাচার হয়েছে। এই কথা মোদিজির কানে পৌঁছনোর পর মমতার পুলিশ বেছে বেছে হিন্দুদের জেলে পুরছিল।” উল্লেখযোগ্যভাবে এদিন ভারতে অনুপ্রবেশ নিয়ে সিএএ-র সংশোধনী নিয়ম স্মরণ করিয়ে শুভেন্দু বলেন, “২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর অমিত শাহজি বলে দিয়েছিলেন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত যারা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাদের কোনও পুলিশ স্পর্শ করবে না।” এখানেই থামেননি তিনি। জেলবন্দি হিন্দু মতুয়াদের আশ্বস্ত করতে শুভেন্দু ঘোষণা করেন, “বনগাঁ-বারাসাত-রানাঘাট সহ যদি কোনও জেলে মতুয়া শরণার্থীরা বিনা বিচারে তৃণমূল সরকারের অত্যাচারে জেলে থেকে থাকেন, প্রত্যেককে সসম্মানে জেল থেকে বের করে যোগীজির মতো জমি দেব, বাড়িও করে দেব।” সেই সঙ্গে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মতুয়াদের সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়ার কথা দিয়ে যান শুভেন্দু।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language