Hashtagintro

ঠোঁটে বিড়ি, মন্দিরে কোলে স্ত্রীর কাটা মাথা নিয়ে বসে থাকা যুবকের দাবি, ‘আমি সাইকো’

দুই সন্তানকে নিয়ে দিব্যি চলছিল দাম্পত্য। দু’জনের মধ্যে অশান্তি ছিল তা কাকপক্ষীতেও টের পাননি। অথচ বুধবার সাতসকালে স্ত্রীর কাটা মাথা নিয়ে মন্দিরে বসে রইল যুবক। স্ত্রীকে খুনের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। অভিযুক্ত অবশ্য গ্রেপ্তারের পরেও ভাবলেশহীন। দাবি, “আমি সাইকো।”

দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নারায়ণপুরের বাসিন্দা রিন্টু ঘোষ। এগারো বছর আগে সীমা সরকারের সঙ্গে বিয়ে হয়। দুই সন্তানও রয়েছে। সীমার দাদা জানান, সরকারের ঠিকাদার হিসাবে কাজ করত রিন্টু। তবে কয়েকদিন আগে চাকরি চলে যায়। তারপর থেকেই নাকি রিন্টুর হাবভাব বদলাতে থাকে। হঠাৎ ধার্মিক হয়ে যায়। নিরামিষ খাওয়া শুরু করে। সীমার দাদা বলেন, “বোনের সঙ্গে জামাইয়ের কোনও অশান্তি ছিল না। তারপরও যে কী হল তা বুঝতে পারছি না।”

বুধবার ভোরে প্রতিবেশীরা ফুল তুলতে বেরিয়ে দেখেন রিন্টু মন্দির চত্বরে বসে রয়েছেন। তার কোলে মহিলার কাটা মুন্ডু। টাটকা রক্ত ঝরছে। তাতেই শোরগোল পড়ে যায়। খবর পেয়ে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তখনও স্ত্রীর কাটা মুন্ডু হাতছাড়া করেনি রিন্টু। ওই দৃশ্য দেখে ভয়ে যেন শিউরে ওঠেন সকলেই। স্ত্রীকে খুনের পরেও অবশ্য ভাবলেশহীন রিন্টু। পুলিশের গাড়িতে ঠোঁটের কোণে বিড়ি চেপে ধরে বসেছিল সে। রিন্টু বলে, “আমি সাইকো। সাইকো হয়ে গিয়েছি। আগে তো সরকারের হয়ে ঠিকাদারি করতাম। চাকরিটা চলে গেল। আমাকে কোনও চান্স দিল না। বউকে তো আমি সত্যি কথাই বলেছিলাম। বউয়ের কাছে লুকনোর তো কিছু ছিল না।” চাকরি নিয়ে অশান্তির জেরে খুন নাকি রাতারাতি ধার্মিক হয়ে ওঠা রিন্টু মোক্ষলাভের আশায় এই কাজ করেছে, তা খতিয়ে দেখছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ। রিন্টুর মানসিক অবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language