উৎসবের রঙে এবার ধর্মের বিভাজন। নবরাত্রির ডান্ডিয়া অনুষ্ঠানের নিরাপত্তায় মুসলিম বাউন্সারদের বয়কটের অভিযোগ কংগ্রেস শাসিত তেলেঙ্গানায়া। বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজাও।
সম্প্রতি হায়দরাবাদের একটি বাউন্সার এজেন্সি দাবি করে, এ বছর নবরাত্রি ও ডান্ডিয়া অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার জন্য মুসলিম বাউন্সারদের নিয়োগ করতে চাইছে না বহু আয়োজক। তাদের অভিযোগ, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে সেই বাউন্সাররা কাজের সুযোগ হারাচ্ছেন। বিতর্কের মাঝেই মুখ খুলেছে হিন্দু-মুসলিম নিরাপত্তাকর্মীদের যৌথ সংগঠন এবং বাউন্সার এজেন্সিগুলোর প্রতিনিধিরা। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সমান আধিকারের পক্ষে সওয়াল করেছে তারা। মহম্মদ ফিরোজ নামে এক প্রতিনিধি বলেন, “উৎসবের মরশুমে মুসলিম বাউন্সারদের বয়কটের প্রভাব বহু মানুষের উপর পড়ছে। আমরা কর্মসংস্থানের জন্য লড়াই করছি, ধর্মের জন্য নয়। মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ – প্রত্যেকেরই সমান সুযোগ পাওয়া উচিত। নাম বা ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে বঞ্চিত করা ঠিক নয়।”
[প্রিয় পাঠক, খবরটি সদ্য আমাদের কাছে এসেছে। যেটুকু তথ্য এর মধ্যে পাওয়া গিয়েছে, সেটুকুই আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হল। গুরুত্বপূর্ণ এই খবরটি খুঁটিনাটি-সহ কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা সবিস্তারে জানাব। অনুগ্রহ করে একটু পরে আর-একবার এই পেজটি রিফ্রেশ করুন, যাতে পূর্ণাঙ্গ খবর ও খবরটির অন্যান্য খুঁটিনাটি আপনারা জেনে নিতে পারেন। এই সময়টুকু আমরা আপনাদের কাছে চেয়ে নিলাম। পাশাপাশি উল্লেখ থাক, সম্প্রতি নেটমাধ্যমে নানারকম ভুয়ো খবরের ছড়াছড়ি। সে বিষয়ে আমরা যথাসম্ভব সতর্ক থেকেই খবর পরিবেশন করি। যে-কোনো খবরের সত্যাসত্য যাচাই করে তবেই আপনাদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া আমাদের কর্তব্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকুন, ঠিক ও তথ্যনিষ্ঠ খবর তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা আন্তরিকভাবে কাম্য।]
