দীপাবলির আগের দিন হিন্দু রীতি মেনে ঘরে ঘরে পালিত হয় ভূত চতুর্দশী। চোদ্দ শাক ও চোদ্দ বাতি জ্বালিয়ে ভূত চতুর্দশী পালন করা হয়। এই বিশেষ দিনে স্বস্তিকার শুভেচ্ছাবার্তায় ফিরল ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’-এর স্মৃতি। বাংলায় অন্যতম সেরা ভূতের ছবি বললে নিসন্দেহে মনে পড়ে যায় ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’-এর কথা। এই ছবির স্রষ্ঠা অনীক দত্ত আর নেই, কিন্তু রয়ে গিয়েছে তাঁর সৃষ্টি। বাংলাতে এমন মজার ভূতের সিনেমা আজও লোকমুখে ফেরে। ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’-এ ‘কদলীবালা’র চরিত্র শেয়ার করে সকলকে ভূত চতুর্দশীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বস্তিকা।
নিজের চরিত্রের বেশ কয়েকটি দৃশ্য শেয়ার করে অভিনব কায়দায় শুভেচ্ছা জানালেন পর্দার ‘কদলীবালা’। ২০১২ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’। অনীক দত্ত পরিচালিত এই ছবি শুধুমাত্র একটি ভুতুড়ে ছবিতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বর্তমান সমাজব্যবস্থাকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন পরিচালক। প্রতিটি চরিত্রের নেপথ্যে ছিল এক অন্য কাহিনি। যা কার্যত দৃশ্যমান না হলেও লুকিয়ে ছিল অন্তর্নিহিত অর্থ। কদলীবালা দাসীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন স্বস্তিকা।
মনের মানুষকে না পাওয়ার কষ্টে আত্মহত্যা করেছিলেন কদলীবালা। কিন্তু, মৃত্যুর পরও মন থেকে প্রেম মুছে যায়নি। প্রেমকে এক মুহূর্তের জন্য নিজের করে পেতে অতৃপ্ত আত্মার মতো ঘুরে বেড়াত। সেই কদলীবালাকে স্মরণ করেই ভূত চতুর্দশীতে সকলকে শুভেচ্ছা জানালেন স্বস্তিকা। ‘কদলীবালা’র কয়েকটি লুক শেয়ার করে স্বস্তিকার শুভেচ্ছা, ‘কদলী, তোকে আমি পাগলের মতো ভালোবাসি। তুই সারা পৃথিবীর সেরা ভূত, ওরফে শাকচুন্নি। তুই-ই ভূত নম্বর ওয়ান! চিরকাল এভাবেই সব ঋতু, সব মরশুমে রাজত্ব করিস। ওপারেও তোর আলো এভাবেই ঝলমল করুক। আর যে সংসারের স্বপ্ন তুই এতদিন ধরে বুকে লালন করে এসেছিস, অবশেষে যেন সেই সংসারকে আপন করে জড়িয়ে ধরতে পারিস। সব জীবিত আত্মাদের জানাই শুভ ভূতচতুর্দশী।’ সব শেষে স্বস্তিকা লেখেন, ‘চোদ্দো শাক খাবে সবাই আর চোদ্দো প্রদীপ জালাবে। আমাদের চারপাশে কিন্তু পিশাচেরা ঘুরে বেড়ায় আজকাল। তাঁদের থেকে বাঁচা প্রয়োজন।’
