Hashtagintro

দাম্পত্য কলহ বা দায়িত্ব এড়ানোর ‘অস্ত্র’ মলত্যাগ! নয়া কৌশল ব্যবহারে পটু আপনার সঙ্গীও?

ধরুন খুদে সন্তান খুব বিরক্ত করছে। মা তড়িঘড়ি রান্না সেরে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। স্বামীর সাহায্য প্রয়োজন। ঠিক সেই সময়ই তিনি মলত্যাগে অজুহাত দেখালেন। কিংবা ধরুন আপনার সঙ্গে স্বামীর তুমুল অশান্তি হচ্ছে। কথা কাটাকাটির মাঝে স্বামী বলে বসলেন, ‘আগে শৌচালয় থেকে আসি’। এমন ঘটনার অভিজ্ঞতা কমবেশি সব নতুন মা এবং স্ত্রীর রয়েছে। সাম্প্রতিক সমীক্ষায় এমন অভ্যাস নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। যাকে ‘ওয়েপনাইজড পুপিং’ (Weaponised Pooping) বলে উল্লেখ করা হয়। বাংলায় যাকে বলে, ‘মলত্যাগকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা।’

‘প্রকৃতির ডাক’ নিঃসন্দেহে এড়ানো অসম্ভব। তবে যে বা যাঁরা মলত্যাগকে ‘অস্ত্র’ হিসাবে কাজে লাগাচ্ছেন, তাঁদের কাছে তা বাহানা মাত্র। শৌচালয়ে গিয়ে হয়তো তাঁরা একের পর এক রিলস দেখে চলেছেন কিংবা স্মার্টফোন ঘেঁটে চলেছেন। আর তার মাঝে কখন যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যাচ্ছে তা টের পাচ্ছেন না নিজেই। তার ফলে সুকৌশলে সমস্ত দায়দায়িত্ব থেকে দিব্যি গা বাঁচিয়ে থেকে যাচ্ছেন তিনি। সে কারণেই এই কৌশল ‘ওয়েপনাইজড পুপিং’ বলে পরিচিত।

Weaponised pooping behaviour affecting a relationship

‘ওয়েপনাইজড পুপিং’ শব্দটি অবশ্য নতুন নয়। এটি প্রথমে ব্যবহার করেছিলেন অলিভিয়া হাওয়েল। তিনি বিবাহবিচ্ছেদ সংক্রান্ত পরামর্শদাতা হিসাবে পরিচিত। তারপর থেকে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। অলিভিয়ার মতে, বেশিরভাগে পুরুষরাই মলত্যাগকে ‘অস্ত্র’ হিসাবে ব্য়বহার করেন। আর মহিলারা তার শিকার হন। সেক্ষেত্রে নতুন মায়েরাই সাধারণত এই সমস্যার শিকার হন বেশি। কারণ, আজকের দিনেও মনে করা হয়, সন্তান যেন মায়েরই দায়িত্ব। একজন মা প্রয়োজন খাবার ছেড়ে কিংবা ‘প্রকৃতির ডাক’কেও অগ্রাহ্য করে নবজাতককে যেন সামলাতে বাধ্য। পুরুষরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবশ্য সেসব দায়দায়িত্ব থেকে বেঁচে যান।

‘ওয়েপনাইজড পুপিং’ নিয়ে নানামহলে চলছে বিতর্কের ঝড়। মহিলাদের একাংশের দাবি, বহু পুরুষকেই শৌচালয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটাতে দেখেছেন। তবে তা যে ‘অস্ত্র’ হিসাবে ব্যবহার করছেন, তা কখনও টেরই পাননি তাঁরা। অবশ্য যাঁরা শৌচালয়ে অতিরিক্ত সময় কাটান এমন পুরুষদের দাবি, মোটেও ‘অস্ত্র’ বা দায়িত্ব থেকে পিঠটান দেওয়া নয়। দরকার লাগে বলে এই সময় নেন তাঁরা।

Partner avoiding situations through weaponised pooping

তবে চিকিৎসকরা এই অভ্যাসের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাঁদের মতে, কমোডে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার ফলে শিরদাঁড়ায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার মলদ্বারের রক্তনালিজনিত সমস্যাও হতে পারে।

Source: Sangbad Pratidin Lifestyle (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Lifestyle (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language