Hashtagintro

দুধের স্বাদ ঘোলে! ‘পাড়ার টুর্নামেন্টে’ ভারতকে হারিয়ে বুক বাজাচ্ছেন পাক প্রধানমন্ত্রী, হাসাহাসি নেটদুনিয়ায়

দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো বোধহয় একেই বলে। বড় কোনও টুর্নামেন্টে বা আইসিসির স্বীকৃত কোনও ম্যাচে ভারতকে হারাতে না পেরে শেষে হংকং সিক্সেসে’র মতো অদরকারি, বেসরকারি টুর্নামেন্টের জয়কে সেলিব্রেট করছে পাকিস্তান। আর সেই সেলিব্রেশনের বহর এতটাই যে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ পর্যন্ত হংকং সিক্সেসের জয় নিয়ে বুক বাজাচ্ছেন। এমনভাবে উচ্ছ্বাস করছেন যাতে মনে হচ্ছে তাঁরা যেন বিশ্বজয় করে ফেলেছেন।

আসলে শুক্রবার হংকং সিক্সেসে পাকিস্তানের কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে ভারত। হংকং সিক্সেস টুর্নামেন্টে ভারতের পরিসংখ্যান এমনিই বেশ খারাপ। সেই ধারা বদলাতে এবার ক্রুণাল পাণ্ডিয়া, শশাঙ্ক সিংয়ের মতো আইপিএলে সফল ক্রিকেটাররা খেলছেন। কিন্তু তাতেও সাফল্য পায়নি টিম ইন্ডিয়া। সাধারণত এই টুর্নামেন্টে প্রতি ম্যাচে ৬ ওভারে ১০০-র উপর রান ওঠে। সেখানে ভারত মাত্র ৮৮ রান তোলে। জবাবে চার ওভারের মধ্যেই প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় পাকিস্তান। দুই ওপেনার খোয়াজা নাফায় ও আব্বাস আফ্রিদি ভারতের হাত থেকে ম্যাচ হাত ছিনিয়ে নেন। খোয়াজা ১২ বলে ৪১ রান করে। অন্যদিকে ৮ বলে ৩৫ করেন আফ্রিদি।

আসলে হংকং সিক্স একটি বেসরকারি টুর্নামেন্ট। আইসিসি স্বীকৃত নয়। মাত্র ৬ ওভারে খেলা হয়। ছোট্ট বাউন্ডারি। সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত, জাতীয় দলের চৌহদ্দিতে না থাকা ক্রিকেটাররা ওই টুর্নামেন্টে খেপ খেলেন। ওই টুর্নামেন্টকে পাড়ার টুর্নামেন্ট বললে অত্যুক্তি হয় না সম্ভবত। সেই টুর্নামেন্টে ভারতকে হারিয়েই বুক বাজাচ্ছে গোটা পাকিস্তান। খোদ প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সোশাল মিডিয়ায় লিখলেন, “হংকং সিক্সেসের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে ৪ উইকেটে জয়ের জন্য ছেলেদের অভিনন্দন। এটা দারুন একটা ম্যাচ ছিল। আমি পাকিস্তান বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভিকেও শুভেচ্ছা জানাব, এভাবে ক্রিকেটারদের পাশে থাকার জন্য।” হংকং সিক্সে জিতেও এভাবে প্রধানমন্ত্রীর টুইট, বোর্ড সভাপতিকে ধন্যবাদ জানানো, রীতিমতো হাসাহাসি হচ্ছে নেটদুনিয়ায়। কারও প্রশ্ন, হংকং সিক্সেসে জয়ে বোর্ডের ভূমিকাটা কী? কেউ কেউ কটাক্ষ করে বলছেন, “পাকিস্তানের জাতীয় ছুটি ঘোষণা করে দেওয়া উচিত।”

ক্রিকেট মাঠে শেষ কবে ভারতকে হারিয়েছিল পাকিস্তান? গুগলে সার্চ না করলে মনে পড়া কঠিন। আসলে দু’দেশের মধ্যে আর্থিক-সামরিক-সামাজিক দিক থেকে যে বিস্তর ফারাক ছিল, এখন সেই একই রকম ফারাক দেখা যাচ্ছে ক্রিকেট মাঠেও। ভারতীয় দলকে হারানো তো দূর, সেভাবে লড়াইও করতে পারে না। এ হেন দৈন্যের মধ্যে সামান্য ওই জয়কে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী বিরাট সাফল্য হিসাবে দেখাবেন, সেটাই হয়তো স্বাভাবিক।

Source: Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Technology & Auto (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language