Hashtagintro

দেশে খুচরো পণ্যের মুদ্রাস্ফীতির হারে রেকর্ড, আগুন খাদ্যপণ্যের বাজারে, কেন্দ্রীয় তথ্যে উদ্বেগ

এবার কি আমজনতার পকেটে আরও টান পড়তে চলেছে? নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খেতে হবে আমজনতাকে? সেপ্টেম্বর মাসে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার যে মুদ্রাস্ফীতির পরিসংখ্যান দিয়েছে, তাতে উদ্বেগ বাড়ছে আমজনতার।

সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দেশের খুচরো মুদ্রাস্ফীতি আগস্ট মাসে রেকর্ড হারে বেড়েছে। অগস্টে যে হার ছিল ৪.৮৩ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৫.৫৪ শতাংশ। নতুন সিপিআই পদ্ধতিতে গণনা শুরুর পর এটাই সবচেয়ে বেশি হারে মুদ্রাস্ফীতি। এর অর্থ হলো, এক মাসে মুদ্রাস্ফীতি ০.৭১ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে খুচরা মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৬.২১ শতাংশ। এরপরে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ২৩ মাসে সর্বোচ্চ। আর নতুন সিপিআই অনুযায়ী এটাই সর্বোচ্চ। ফলে খুচরো মুদ্রাস্ফীতি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ৪ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে কেন্দ্রের নির্ধারিত সহনসীমা অর্থাৎ ৬ শতাংশের নিচেই রয়েছে মুদ্রাস্ফীতির এই হার।

খাদ্যপণ্যের মুদ্রাস্ফীতির হারে ছবিটা আরও স্পষ্ট। কনজিউমার ফুড প্রাইস ইনডেক্সের পরিসংখ্যান বলছে, সেপ্টেম্বরে খাদ্যপণ্যের মুদ্রাস্ফীতির হার বেড়ে হয়েছে ৭.৭৪ শতাংশ। অগস্টে খাদ্যপণ্যে মুদ্রাস্ফীতির হার ছিল ৫.৯৭ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মধ্যে সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে পিঁয়াজের দাম। অগস্টে ৪৮.৭৮ শতাংশ থেকে বেড়ে সেপ্টেম্বরে হয়েছে ১০৮.০৯ শতাংশ। অর্থাৎ পিঁয়াজের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। রসুন ও লেবুর দামও বেড়েছে অনেকটাই।

মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব শুধু শাকসবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে পড়াশুনার খরচেও দেখা দিয়েছে পরিবর্তন। পড়াশোনায় মুদ্রাস্ফীতির হার ৩.৯৪%, অন্যদিকে পোশাক ও অন্যান্য জিনিসের মুদ্রাস্ফীতির হার ৩.৯৩%। রেস্তরাঁ ও আবাসন সেক্টরে মুদ্রাস্ফীতির হার ৯.৩৬ শতাংশ।

Source: Sangbad Pratidin India (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin India (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language