Hashtagintro

ধর্ম-জাতি-গাত্রবর্ণ অনুযায়ী সন্তান চাই, বাংলা-সহ ৭ রাজ্যের নারীর থেকে নেওয়া হত ডিম্বাণু!

হায়দরাবাদে (Hyderabad) ফাঁস হল বড়সড় চক্র। দাবি, দম্পতিদের ‘চাহিদা’ অনুযায়ী সন্তানের লক্ষ্যে বাংলা-সহ ৭ রাজ্যের নারীর থেকে নেওয়া হত ডিম্বাণু! দাম পড়ত সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বাংলা ছাড়াও দিল্লি, ছত্তিশগড়, অসম, উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা থেকে অনূর্ধ্ব ৩৫ মহিলাদের টাকার লোভ দেখিয়ে ওই ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হত। মেয়েদের হস্টেল চালানোর আড়ালে চলছি এমনই এক ব্যবসা। এও জানা গিয়েছে, বিবাহিত ও অবিবাহিত দুই ধরনের মহিলাদের থেকেই ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হত।

পুলিশের সন্দেহ, এই হস্টেল আবাসন সুবিধাগুলি আসলে ব্যবহৃত হত সম্ভাব্য ডিম্বাণুদাতাদের রাখার জন্য। পরে আইভিএফ কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে তাঁদের ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হত। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ডিম্বাণু গ্রহণ করতে ইচ্ছুক দম্পতিদের চাহিদার উপরে ভিত্তি করেই দাতাদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হত। দাবি, নারীকে ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল কাউকে কাউকে। কারও কারও ক্ষেত্রে এই অঙ্ক ৫০ হাজার টাকা পর্যন্তও পৌঁছেছিল। আসলে এই অঙ্ক নাকি পুরোপুরি নির্ভর করত ডিম্বাণুপ্রত্যাশী দম্পতিদের চাহিদার ওপর। আইন অনুযায়ী, একজন মহিলা একবারের বেশি ডিম্বাণু দান করতে পারেন না। কিন্তু এক্ষেত্রে রীতিমতো তা কেনাবেচা হয়েছে বলেই অভিযোগ।

কীভাবে চলত চক্র? পুলিশ জানাচ্ছে, অভিযুক্তরা মহিলাদের টাকার লোভ দেখাত। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বা আরও নানা উপায়ে তথ্য বিনিময় চলত। দেশজুড়ে ছড়ানো ছিল নেটওয়ার্ক। কোনও দম্পতি ডিম্বাণুদাতার খোঁজ করছেন জানা গেলেই সেই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ‘এজেন্ট’রা সেই চাহিদা অনুযায়ী মহিলাদের সঙ্গে যোগাযোগ করত।

এক তদন্তকারী অফিসা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় বলেছেন, ”দম্পতিরা জানিয়ে দিতেন তাঁদের ঠিক কী চাহিদা। জাতি-ধর্ম-গায়ের রং-উচ্চতা ইত্যাদি জানিয়ে দিলে সেইমতো মহিলাদের আনা হত। পুরোটাই করা হত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।” এক ডিম্বাণুদাতার থেকে তথ্য মেলার পরই বিষয়টি নজরে আসে পুলিশের। আর তারপরই ফাঁস হল গোটা চক্রটাই।

Source: Sangbad Pratidin India (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin India (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language