নকল সংসদ বসিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘জনতার ইমপিচমেন্ট’ পেশ করেছে ইন্ডিয়া জোট। যেখানে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘রাষ্ট্রদ্রোহের’ অভিযোগ এনেছে বিরোধী শিবির। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে দেশদ্রোহী বলেও আক্রমণ শানান লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এই ঘটনায় এবার পালটা মুখ খুলল বিজেপি। রাহুলকে পালটা তোপ দেগে বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, ‘ওনার জ্বালানি শেষ হয়ে গিয়েছে। ওনাকে আজীবন নকল প্রধানমন্ত্রী করে রাখুন আমাদের কোনও আপত্তি নেই।’
এদিন নির্ধারিত সময় সাড়ে ৩টে নাগাদ খাড়গের বাসভবনে ওই ‘জন মহাভিযোগ’ শুরু হয়। স্পিকারের আসনে দেখা যায় প্রাক্তন লোকসভার স্পিকার মীরা কুমারকে। সামনে সদস্যদের মধ্যে ছিলেন রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, হেমন্ত সোরেন, এমএ বেবি, বৃন্দা কারাট-সহ ইন্ডি জোটের অন্য নেতারা। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে সৌগত রায়, সাগরিকা ঘোষরা। এখানে খাড়গের পেশ করা ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবে মোট ৬টি অভিযোগ করা হয়েছে। ১. ভোটচুরির ষড়যন্ত্র। ২. ১৩.২ কোটি ভোটারের নাম বাদ। ৩. সংসদের অনুমোদন ছাড়ে ফর্ম ৬-এ বদল এনেছেন। ৪. ইসিআইনেটের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় কারচুপি। ৫. অন্য দুই কমিশনারের পরামর্শ অমান্য। ৬. মোদি ও শাহর নির্দেশ কাজ। খাড়গের অভিযোগ, মোদি ও শাহর নির্দেশে যেভাবে ভোটচুরি করেছেন জ্ঞানেশ কুমার, সেটা দেশদ্রোহিতার শামিল।
রীতিমতো কটাক্ষের সুরে বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, “গোটা বিশ্ব বুঝে গিয়েছে রাহুল গান্ধী জ্বালানির অভাবে ভুগছেন। ওনার স্যাটেলাইট আকাশে উড়বে না।”
নকল সংসদে আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র ভোট চুরির অভিযোগ আনলে হবে না। উনি দেশবাসীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। উনি যে অপরাধ করেছেন তা দেশদ্রোহের সামিল। ওনার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হোক।” তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেন বাকি সাংসদরা। বিরোধী জোটের এই কর্মসূচির পালটা তোপ দাগতে ছাড়েনি বিজেপি। রীতিমতো কটাক্ষের সুরে বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, “গোটা বিশ্ব বুঝে গিয়েছে রাহুল গান্ধী জ্বালানির অভাবে ভুগছেন। ওনার স্যাটেলাইট আকাশে উড়বে না।” ইন্ডিয়া জোটকে কটাক্ষ করে বলেন, “এই সংসদ আপনারা তুলবেন না। এখানে ওনাকে (রাহুল গান্ধী) আজীবনের জন্য আপনাদের নকল প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে রেখে দিন। ওনার ভজন-কীর্তন করুন আপনারা। আমাদের কোনও আপত্তি নেই।”
#WATCH | Delhi: BJP MP Sambit Patra says, “The BJP did not create this immunity by enacting a new law. The BJP did not introduce any law that did not already exist. Immunity and protection for the President and the Chief Election Commissioner (CEC) are already enshrined in the Constitution. However, the specific procedure was not explicitly defined…In August 2023, in Telangana, a lower special court ordered that an FIR be filed against the Chief Election Commissioner. The High Court immediately quashed the order, stating that this was not the correct procedure and directed that it be dismissed. But it became evident then that, due to political pressure, anyone could file a case or an FIR against individuals, even those holding high constitutional offices who are protected by the Constitution, without any regard for the law. Therefore, a procedure was introduced. It was merely a procedure. The legal provision already existed within the Constitution. The Constitution of India provides this protection…Go hold your mock parliament, carry out your marches. The world has already realised that Rahul Gandhi lacks the fuel. This satellite will never launch. Keep him as your mock Prime Minister for life. We have no objection.”
— ANI (@ANI) October 31, 2026
