জেন-জির মতো নয়া প্রজন্মকে ডাক ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করতে এবার বাংলায় ‘নেক্সট জেন’ পোস্টঅফিস চালু হয়েছে। আপাতত পাঁচটি ডাকঘরকে এই ব্যবস্থায় টানা হয়েছে। সেগুলি খড়গপুর আইআইটি, কলকাতা ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, হলদিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি ও কল্যাণীতে। ফ্রি ওয়াইফাই, প্রিন্টিং সুবিধা ছাড়াও আধুনিক চেয়ার-টেবিল, সোফা, চা-কফির ব্যবস্থা ও নানা পত্রিকা-সংবাদপত্র রাখা থাকবে।
ওয়েস্ট বেঙ্গল সার্কেলের চিফ পোস্ট মাস্টার জেনারেল অশোক কুমার জানান, বর্ধমান, রবীন্দ্রভারতী ও বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ও করতে চেয়েছে। মোটামুটি ২০ লক্ষ টাকা খরচ হয় প্রতিটিতে। দক্ষিণবঙ্গ-সহ সিকিমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পোস্টমাস্টার জেনারেল ঋজু গঙ্গোপাধ্যায় জানান, এমন পরিবেশ ডাকঘরে তৈরি করা হচ্ছে যাতে পরবর্তী প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের পছন্দের জায়গা হয়ে ওঠে। তাঁরাও চিঠি লিখুন। শিবপুর আইআইইএসটিতে ডিজিটালি লকারের ডাকঘর করার ভাবনাও রয়েছে। মুম্বইয়ে এমন সুবিধা রয়েছে। কলকাতার কাঁকুড়গাছি সাব পোস্ট অফিসের মতোই বালিগঞ্জ ও শরৎ বসু রোডের ডাকঘরকে অত্যাধুনিক করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান।
শুক্রবার ওয়ার্ল্ড পোস্ট ডে-র সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় ডাক সপ্তাহের সূচনা হল। ১৫ তারিখ শেষদিনে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী দিবস। ‘দুর্গাপুজো-বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ প্রসঙ্গে বিশেষ কভার উদ্বোধন হয়। অশোক কুমার বলেন, ই-কমার্সে সেরা হওয়াটাই আমাদের লক্ষ্য। আয়ুষ্মান ভারত কার্ড দেওয়া নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে মউ সই হয়েছে। একইভাবে পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন নিগমের সঙ্গে উদ্যোগে কৃষক ও জমির মালিককে স্পিডপোস্টে সৌরশক্তির উপকার-ভর্তুকি সম্পর্কে তথ্য পৌঁছে দেবে। লজিস্টিকের মাধ্যমে বীজ দেওয়ার কথাও জানান তিনি। কৃষিদপ্তরের সঙ্গে মিশে পোস্ট অফিস কাজ করবে। কোনও মধ্যস্বত্বভোগী যাতে লাভ ওঠাতে না পারে, সেটা দেখাও লক্ষ্য।
