Hashtagintro

নবমীতে শুধু পাঁঠার মাংস নয়, পাতুড়িতেও জমুক পেটপুজো, রইল সহজ রেসিপি

বছরের ৩৬১ দিনই মেপেজুপে, ঘড়ির কাঁটা ধরে খাওয়া। এত সংযম, নিয়মানুবর্তিতা সব যেন বাকি চারটি দিনের কথা ভেবে। শুনে ধাঁধা লাগছে? আরে বাবা, তেমন জটিল কিছু নয়। বলছি পুজোর চারটে দিনের কথা। বাঙালির প্রাণের উৎসব প্রাণভরে ভোজন ছাড়া জমে নাকি? এক্কেবারে না। আর তাই সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, দশমী ডায়েট ভুলে জমিয়ে ভূরিভোজ থেকে বাঙালিকে আটকানো যায় না। শুধু অপরিসীম খাওয়াদাওয়াই তো নয়, তেল-ঝাল-মশলাদার খাবারও পড়ে পাতে। তাই পাত এবং প্রাণ জুড়নো বেশ কিছু পাতুড়ির রেসিপি রইল ভোজনপ্রেমীদের জন্য। কম সময়ে ঝটপট রেঁধে সবার প্রশংসা কুড়িয়ে নিতে পারেন।

পিঁয়াজ পাতুড়ি
উপকরণ:
বড় পিঁয়াজ – ৪ থেকে ৫টি (কুচি করা)
সর্ষেবাটা – ২ টেবিল চামচ
নারকেল কোরা – ৩ টেবিল চামচ
কাঁচালঙ্কা – ৪ থেকে ৫টি (কুচি করা)
কলাপাতা – ৪ থেকে ৫ টুকরো
হলুদগুঁড়ো – ১/২ চা-চামচ
সরষের তেল – ৩ টেবিল চামচ
নুন স্বাদমতো

প্রণালী:
প্রথমে পিঁয়াজ কুচি, সর্ষেবাটা, নারকেল কোরা, কাঁচালঙ্কা, নুন-হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। তা মেখে নিন সরষের তেল দিয়ে। কলাপাতায় একটু তেল মাখিয়ে হালকা আগুনে সেঁকে নিন, যাতে মোড়াতে সুবিধা হয়। প্রতিটি পাতায় এই মিশ্রণটি দিয়ে ভালোভাবে মুড়ে নিন। তাওয়া বা ফ্রাইং প্যানে অল্প তেল দিয়ে ঢেকে দিয়ে কম আঁচে দু’পাশ দিয়ে সেঁকে নিন। ১০ থেকে ১২ মিনিট সেঁকলেই তৈরি পিঁয়াজ পাতুড়ি। এরপর নামিয়ে গরম গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। একথালা ভাত না খেয়ে উঠতেই পারবেন না।

২. ছানার পাতুড়ি
উপকরণ:
টাটকা ছানা – ২৫০ গ্রাম
সর্ষেবাটা – ২ টেবিল চামচ
নারকেল কোরা – ২ টেবিল চামচ
কাঁচালঙ্কা – ৩ থেকে ৪টি
সরষের তেল – ২ টেবিল চামচ
হলুদ – সামান্য
লবণ- পরিমাণমতো
কলাপাতা – ৪ থেকে ৬ টুকরো
সুতো বা টুথপিক (কলাপাতা বাঁধার জন্য)

প্রণালী:
ছানা ভালো করে মেখে নরম করে নিন। এর সঙ্গে মেশান সর্ষেবাটা, নারকেল কোরা, কাঁচালঙ্কা কুচি, লবণ, হলুদ ও সর্ষের তেল। একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। এরপর কলাপাতাকে উনুন বা প্যানে হালকা গরম করে নিন। এতে পাতা কিছুটা নরম হলে ভাঁজ করতে সুবিধা হবে। প্রতিটি পাতায় সামান্য তেল মেখে নিন। কলাপাতার মাঝখানে ছানার মিশ্রণ রেখে দিন। চারপাশ থেকে মুড়ে সুতো দিয়ে বেঁধে নিন। টুথপিক দিয়েও তা আটকে নিতে পারেন। এবার একটি তাওয়া বা ননস্টিক প্যানে অল্প তেল গরম করে পাতুরিগুলো রেখে দিন। কম আঁচে দু’পাশে ৭ থেকে ৮ মিনিট করে ভাজুন বা ভাপিয়ে নিতে হবে। সুগন্ধ ছড়ালে নামিয়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

৩. সয়া পাতুড়ি
উপকরণ:
সয়াবিন চাঙ্কস বা গ্র্যানিউলস – ৫০০ গ্রাম
সর্ষেবাটা – ৪ টেবিল চামচ
পোস্তবাটা – ৪ টেবিল চামচ
নারকেল কোরা – ২ টেবিল চামচ
কাঁচালঙ্কা – ৩ থেকে ৪টি
রসুন, ছোট এলাচ – কয়েক কুচি
সরষের তেল – ৩ টেবিল চামচ
হলুদ – সামান্য
লবণ- পরিমাণমতো
কলাপাতা – ৪ থেকে ৬ টুকরো
সুতো বা টুথপিক (কলাপাতা বাঁধার জন্য)

প্রণালী:
প্রথমে সয়াবিন মিক্সিতে ভালো করে পেস্ট করে নিন। আলাদা করে পেস্ট করুন রসুন, ছোট এলাচ, কাঁচালঙ্কা। দুটি মিশ্রণ সর্ষে ও পোস্তবাটা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর প্যানে হালকা সরষের তেল মাখিয়ে (গ্রিজ করে) কলাপাতা একটু নাড়াচাড়া করে নিন। এর মধ্যে ওই মিশ্রণটি ঢেলে কলাপাতা মুড়ে সুতো বেঁধে দিন। একটি পাত্রে ঢেলে মুখবন্ধ করে ফ্রাইং প্যানে ফুটন্ত জলে বসান পাত্রটি। ভালো করে ভাপিয়ে নিন। তৈরি সুস্বাদু সয়া পাতুড়ি। ভাতের পাশাপাশি রুটি বা পরোটার সঙ্গে পরিবেশন করুন। খেয়ে সকলে আঙুল চাটবেন।

Source: Sangbad Pratidin Lifestyle (Bengali)

Read full article on Sangbad Pratidin Lifestyle (Bengali)

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

समाचार की भाषा चुनें / Choose News Language