প্রশাসনিক কাজে ডেটাবেস হাতে থাকা, আর সেগুলো ব্যবহার করার মধ্যে বাস্তবের অনেক তফাৎ আছে। জনকল্যাণে সেগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে তৃণমূল স্তর থেকে তথ্যের সরবরাহ অটুট থাকলে তবেই সরকারি কোনও প্রকল্পকে বাস্তবের চেহারা দেওয়া সম্ভব। তার উপর দাঁড়িয়েই রাজ্যের নীতি নির্ধারণও সম্ভব। আইএসআই কনক্লেভে তথ্য ভাণ্ডারের কার্যকারিতা নিয়ে এভাবেই বাস্তব পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করে নিজের মত প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত।
এই কাজের জন্য আইএসআইকে বিশেষ ভূমিকা নেওয়ার আবেদন করেন তিনি। বুধবার কনক্লেভে অংশ নিয়ে তাঁর কর্মজীবনের প্রথম দিকের নানা পরিস্থিতির কথা বলেন এই আমলা। জলপাইগুড়ির দৃষ্টান্ত তুলে বলেন, একবার ৩০০ স্কুল শিক্ষকের হিসাব দিয়ে সরকার বলল কোথায় কোন এলাকায় কীভাবে এদের নিয়োগ করবে দেখে নিতে হবে। শহর বা আধা শহরে এই পরিস্থিতিতে নানা সমস্যা হয়।
তাঁর কথায়, “তৃণমূল স্তরের বাস্তব চিত্র সবসময় প্রশাসনের উপর তলায় থাকে না। তখন সমস্যা হয়। এই কারণেই নিরবচ্ছিন্ন তথ্যের দরকার। জিএসটি, শিল্প, অর্থ দপ্তরের নিজস্ব ডেটা প্যাটার্ন থাকে। কিন্তু সবগুলোকে চট করে এক জায়গায় করা যায় না। এখানেই আইএসআইকে দরকার। সব তথ্য এক জায়গায় করার জন্য আপনারা উদ্যোগ নিন।” একইভাবে একবার বর্ধমানের শ্যালো টিউবওয়েল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও নিচু তলা থেকে তথ্যের অভাবে সমস্যা হচ্ছিল। সুব্রত গুপ্ত জানান, এমন একটা জমির তথ্য এসেছিল, সেখানে চাষের জন্য বেশি জল তুলে নিলে আর্সেনিকের আতঙ্ক তৈরি হত। মন্তেশ্বরেও ঘটে এই ঘটনা। তাঁর কথায়, “এগুলো চ্যালেঞ্জ। সব সময় সব তথ্য এক জায়গায় করা আর সেগুলোকে ব্যবহার করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করুক আইএসআই।”
